পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা দেশের রাষ্ট্র কাঠামোতে এমন এক স্থায়ী পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শাসকগোষ্ঠী নিজের ইচ্ছামতো সংবিধানকে বিকৃতি বা অপব্যবহার করতে না পারে। তিনি বলেন, দেশের প্রকৃত মালিক জনগন এবং রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের ‘চাবি’ এখন সাধারণ মানুষের হাতে। একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নাগরিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১৬ই জানুয়ারি) সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি জেলা টাউন হলে আয়োজিত ‘গণভোট ২০২৬: দেশের চাবি আপনার হাতে’ শীর্ষক এক ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা। এই চেতনাকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং ক্ষমতার চিরস্থায়ী লড়াই বন্ধ করে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই সরকার এই গণভোটের আয়োজন করেছে। তিনি উপস্থিত ভোটারদের ‘জুলাই সনদ’-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে এর ১১টি মূল পয়েন্ট স্মরণে রাখার অনুরোধ জানান।
সুপ্রদীপ চাকমা স্পষ্ট করে বলেন, তিনি কোনো বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে আসেননি; বরং নাগরিকরা যেন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে রাষ্ট্র সংস্কারের এই ঐতিহাসিক সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন, সেটিই তাঁর লক্ষ্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জুলাই বিপ্লবের মতো এ দেশের সাধারণ মানুষ দায়িত্বশীলতার সাথে গণভোটকে সফল করে তুলবে। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এবং পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সাধারণ ভোটারদের সচেতন করতে খাগড়াছড়ি ও রামগড় তথ্য অফিসের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























