জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্য জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা শেষ করেন। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ চূড়ান্ত হলো। আসামিপক্ষ থেকে কোনো সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের আবেদন না করায়, ট্রাইব্যুনাল যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণের জন্য আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে ছিলেন বেরোবি’র তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের পক্ষে আমিনুল গণি টিটো, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে আইনজীবী মামুনুর রশীদ, আইনজীবী ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। অন্যদিকে, প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম।
শুনানির সময় কারাগার থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ।
মামলার অন্য ২৪ জন আসামি, যাদের মধ্যে ভিসি হাসিবুর রশীদও রয়েছেন, এখনো পলাতক। তাদের হয়ে সরকারি খরচে নিয়োগপ্রাপ্ত চারজন আইনজীবী আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছিল। এর আগে, ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল-২ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফর্মাল চার্জ) গঠন করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















