রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম রায়ের এই তারিখ নির্ধারণ করেন। একই সাথে শেখ হাসিনা, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অন্য একটি মামলায় যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মামলার অগ্রগতির বিষয়ে জানান, এ পর্যন্ত মামলাটিতে মোট ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিধি-বহির্ভূতভাবে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। প্রাথমিক এজাহারে শেখ হাসিনা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৬ জনকে আসামি করা হলেও অধিকতর তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ মার্চ আরও দুইজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
এই মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সাবেক সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার।
এছাড়া রাজউকের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, পরিচালক কামরুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম এবং সাবেক মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী।
রিপোর্টারের নাম 






















