ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন জমা আরও একবার পেছাল, ৯২ বার সময় পরিবর্তন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ আবারও পিছিয়েছে। মঙ্গলবার আদালত এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, আগামী ১৩ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল। এই নিয়ে ৯২ বার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন হলো।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের অর্থ চুরি করে নেয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটির পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে দায়ের করা এই মামলাটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে করা হয়। পরবর্তীকালে, ২০১৬ সালের ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপর অর্পণ করে। এরপর থেকে সিআইডি এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তবে, প্রায় নয় বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণ: নিহত বেড়ে ১১, আশঙ্কাজনক অনেকে

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন জমা আরও একবার পেছাল, ৯২ বার সময় পরিবর্তন

আপডেট সময় : ১১:৩০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ আবারও পিছিয়েছে। মঙ্গলবার আদালত এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, আগামী ১৩ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল। এই নিয়ে ৯২ বার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন হলো।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের অর্থ চুরি করে নেয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটির পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে দায়ের করা এই মামলাটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে করা হয়। পরবর্তীকালে, ২০১৬ সালের ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপর অর্পণ করে। এরপর থেকে সিআইডি এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তবে, প্রায় নয় বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।