ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালালে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের ইসলামি শাসক যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত কঠোরভাবে হস্তক্ষেপ করবে। তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের অর্থ ইরানের মাটিতে সেনা পাঠানো নয়, বরং এমন জায়গায় আঘাত হানা হবে যা তাদের জন্য সবচেয়ে বেশি বেদনাদায়ক হবে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “ইরান এখন বড় বিপদে রয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও যেসব শহরে এমন পরিস্থিতি কল্পনা করা যেত না, সেসব জায়গায় সাধারণ মানুষ নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি খুব জোরালোভাবে বলেছি, যদি তারা অতীতে যেমন করেছে, তেমনভাবে মানুষ হত্যা শুরু করে, তাহলে আমরা জড়াবো। এর মানে ইরানের মাটিতে সেনা পাঠানো নয়, বরং এমন জায়গায় খুব জোরালো আঘাত হানা, যেখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে। আমরা চাই না এমনটা হোক। ইরানে যা ঘটছে, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। তারা অত্যন্ত খারাপভাবে দেশ চালিয়েছে এবং জনগণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এর মূল্য এখন তারা দিচ্ছে।”
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের তথ্য অনুযায়ী, গত তেরো দিন ধরে চলা এই বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প একাধিকবার একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























