ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বুধবার সরকারি ছুটি, শুরু হয়েছে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর ফলে সরকারি সব অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলো খোলা রয়েছে। এর আগে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 

পাশাপাশি তার সম্মানে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। চলবে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত। এ সময় বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার দফতর, জাতীয় সংসদ ভবনসহ সব রাষ্ট্রীয় অফিস আদালত এবং বিদেশি মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে রাখা হয়েছে। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) নির্বাহী আদেশে একদিনের সরকারি ছুটি ও তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক (৩১ ডিসেম্বর, ১ ও ২ জানুয়ারি) ঘোষণা করা হয়েছে। ছুটিকালীন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপণে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকার গভীরভাবে শোকাহত। সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, তার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।

‘রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের কর্মসূচি হিসাবে তিনদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।’

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাতের জন্য আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

জরুরি পরিষেবা যেমন— হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা সরকার ঘোষিত বুধবারের ছুটির আওতার বাইরে রয়েছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতার বাইরে রয়েছেন। 

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বেলা ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বেলা সাড়ে ৩টায় তাকে তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা ও বিনিয়োগ: জেদ্দায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তিন দেশের মন্ত্রীদের ফলপ্রসূ বৈঠক

বুধবার সরকারি ছুটি, শুরু হয়েছে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

আপডেট সময় : ১০:০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) একদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর ফলে সরকারি সব অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলো খোলা রয়েছে। এর আগে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 

পাশাপাশি তার সম্মানে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। চলবে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত। এ সময় বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার দফতর, জাতীয় সংসদ ভবনসহ সব রাষ্ট্রীয় অফিস আদালত এবং বিদেশি মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে রাখা হয়েছে। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) নির্বাহী আদেশে একদিনের সরকারি ছুটি ও তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক (৩১ ডিসেম্বর, ১ ও ২ জানুয়ারি) ঘোষণা করা হয়েছে। ছুটিকালীন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপণে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকার গভীরভাবে শোকাহত। সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, তার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।

‘রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের কর্মসূচি হিসাবে তিনদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।’

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাতের জন্য আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

জরুরি পরিষেবা যেমন— হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা সরকার ঘোষিত বুধবারের ছুটির আওতার বাইরে রয়েছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতার বাইরে রয়েছেন। 

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বেলা ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বেলা সাড়ে ৩টায় তাকে তার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।