মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধ চলাকালীন তাদের একজন সেনা নিহত হয়েছেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে এই অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইল ও ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ পরস্পরের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে।
হিজবুল্লাহ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, দক্ষিণ লেবানন ও উত্তর ইসরাইলে তাদের হামলা ছিল ‘অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই শত্রুপক্ষের ধারাবাহিক লঙ্ঘনের বৈধ জবাব।’ অন্যদিকে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলছে এবং ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীকে ‘কঠোরভাবে’ লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তিনি আরও বলেন, হিজবুল্লাহর লঙ্ঘন বাস্তবে যুদ্ধবিরতিকে ভেঙে দিচ্ছে। লেবাননের সরকারি গণমাধ্যম জানিয়েছে, রোববার দক্ষিণাঞ্চলের সাতটি স্থানে ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে, যেখানে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
এই উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মস্কো সফরে গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। তিনি সংক্ষিপ্ত ওমান সফর শেষে পাকিস্তানেও ফিরেছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, শনিবারের গুলির ঘটনা তাকে ইরান যুদ্ধ থেকে সরাতে পারবে না এবং এর সঙ্গে হামলার কোনো সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, সুন্নি জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ আল-আদলের সদস্য এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























