ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক ও পরিকল্পিত চিত্র উঠে এসেছে আদালতের নথিতে। সরকারি আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়াহ অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। অভিযুক্তকে বর্তমানে জামিনহীন অবস্থায় কারাগারে রাখা হয়েছে।

আদালতের নথিপত্র বিশ্লেষণ করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হিশাম তার নিজের অ্যাপার্টমেন্টে লিমন ও বৃষ্টিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। হত্যার পর আলামত নষ্ট করতে তিনি লিমনের মরদেহ একটি বড় প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ব্রিজের পাশে ফেলে দিয়ে আসেন। এছাড়া ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ডাস্টবিনে ফেলে ধ্বংস করে দেন তিনি।

তদন্তকারীরা হিশামের মোবাইল ফোন ও গাড়ির জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সময় ও মরদেহ ফেলার স্থানে তার উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছেন। এছাড়া ফরেনসিক পরীক্ষায় উদ্ধারকৃত রক্তে লিমন ও বৃষ্টির ডিএনএ পাওয়া গেছে। সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো, হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে থেকেই হিশাম ইন্টারনেটে কীভাবে মানুষ হত্যা করে প্রমাণ নষ্ট করা যায়, তা নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: তিন মাসে আক্রান্ত ৭৪ জন

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক ও পরিকল্পিত চিত্র উঠে এসেছে আদালতের নথিতে। সরকারি আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়াহ অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। অভিযুক্তকে বর্তমানে জামিনহীন অবস্থায় কারাগারে রাখা হয়েছে।

আদালতের নথিপত্র বিশ্লেষণ করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হিশাম তার নিজের অ্যাপার্টমেন্টে লিমন ও বৃষ্টিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। হত্যার পর আলামত নষ্ট করতে তিনি লিমনের মরদেহ একটি বড় প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ব্রিজের পাশে ফেলে দিয়ে আসেন। এছাড়া ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ডাস্টবিনে ফেলে ধ্বংস করে দেন তিনি।

তদন্তকারীরা হিশামের মোবাইল ফোন ও গাড়ির জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সময় ও মরদেহ ফেলার স্থানে তার উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছেন। এছাড়া ফরেনসিক পরীক্ষায় উদ্ধারকৃত রক্তে লিমন ও বৃষ্টির ডিএনএ পাওয়া গেছে। সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো, হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে থেকেই হিশাম ইন্টারনেটে কীভাবে মানুষ হত্যা করে প্রমাণ নষ্ট করা যায়, তা নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছিলেন।