হজ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) দেশের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের হজের নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার সুবিধার জন্য যেসব ব্যাংক হজের অর্থ গ্রহণ করে, তাদের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো আজ খোলা রাখতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে তাদের শাখাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে যতক্ষণ পর্যন্ত হজ নিবন্ধনের অর্থ জমা দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন ২৭ জুলাই শুরু হয়, যা প্রথমে ১২ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে সময় বাড়িয়ে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ মুসল্লিরা হজে যেতে পারবেন।
সরকার জানিয়েছে, এবার হজের খরচ কিছুটা কমবে। বিমান ভাড়া হ্রাসের ফলে নতুন প্যাকেজ অনুযায়ী ন্যূনতম খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে; গত বছর ছিল দুটি।
২০২৫ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্যাকেজ-১ এ খরচ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা, আর প্যাকেজ-২ এ ছিল ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮০ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের সর্বনিম্ন খরচ ৪ লাখ ৮৩ হাজার ১৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতে হজ এজেন্সিগুলো তাদের নিজস্ব প্যাকেজ তৈরি করেছিল।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ২০২৬ সালের সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























