রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় চাঁদাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট (২৯) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় দুটি অস্ত্রসহ তার সহযোগী সেলিমকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার হোসেনডাঙ্গা পুরাতন বাজার এ ঘটনা ঘটে। নিহত অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট পুলিশের তালিকাভুক্ত সম্রাট বাহিনীর প্রধান। তিনি উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের অক্ষয় মণ্ডলের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অমৃত মণ্ডল নিজের নামে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে আশপাশের এলাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও চাঁদাবাজি করতেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতে পালিয়ে থেকেও সম্রাট বাহিনীর মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি নিজ এলাকায় ফিরে আসেন।
এর মধ্যে হোসেনডাঙ্গা পুরাতন বাজার এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন অমৃত। কিন্তু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সম্রাট বাহিনীর অন্য সদস্যদের ওই বাড়িতে যান। এ সময় বাড়ির মালিককে না পেয়ে তার ছেলেকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাড়ির লোকজন ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন গিয়ে সম্রাটকে পিটুনি দেন। এতে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। অন্য সহযোগীরা পালিয়ে গেলেও সেলিম শেখ স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়েন। দুটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ সেলিমকে পুলিশে দেন স্থানীয় লোকজন।
ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘সন্ত্রাসী অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটের নামে হত্যাসহ একাধিক মামলা আছে। তার সহযোগী সেলিমকে একটি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটার গানসহ আটক করা হয়েছে। সম্রাটের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
রিপোর্টারের নাম 
























