ফেসবুকে একটি বিতর্কিত ফটোকার্ড শেয়ারকে কেন্দ্র করে রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হাতে বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতা ও সাংবাদিকরা। ঘটনার সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ছবির স্ক্রিনশট ঘিরে, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের আইডি থেকে ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এই স্ক্রিনশটটিকে ভুয়া দাবি করে সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান ওই শিবির নেতা। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা থানা প্রাঙ্গণ ঘেরাও করে অবস্থান নেন। রাত ৮টার দিকে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা থানায় প্রবেশ করতে চাইলে ছাত্রদল কর্মীরা তাদের ঘিরে ধরে মারধর শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, এই সহিংস ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক গুরুতর হেনস্তা ও মারধরের শিকার হন। ছাত্রদল নেতাকর্মীরা শিবির সন্দেহে আরও কয়েকজন ব্যক্তিকে এসময় প্রহার করেন। উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে থানার ভেতরে এই তাণ্ডব চললেও পুলিশের কোনো ভূমিকা পরিলক্ষিত হয়নি। পুরো থানা প্রাঙ্গণ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দখলে থাকলেও কোনো পুলিশ সদস্যকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। রাত ৯টার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তারা নিষ্ক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং ডিএমপির রমনা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টারের নাম 























