ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তজুমদ্দিনে সার্ভার জটিলতায় দেড় বছর ধরে জমির দলিল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে বাসিন্দারা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে দীর্ঘ দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জমির নামজারি ও দলিল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে। মূলত সার্ভার জটিলতা এবং অনলাইন ডাটাবেজে তথ্য হালনাগাদ না থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে শম্ভুপুর ইউনিয়নের শিবপুর, গোলকপুরসহ ৭টি মৌজার কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। জমি কেনাবেচা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সামাজিক কলহ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জরুরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শম্ভুপুর ইউনিয়নটি আগে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন উপজেলার অধীনে ছিল। বর্তমানে এটি তজুমদ্দিনের প্রশাসনিক সীমানায় থাকলেও ডিজিটাল ল্যান্ড রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (ডিএলআরএমএস) এখনও পুরনো তথ্য রয়ে গেছে। এই কারিগরি ত্রুটির কারণে অনলাইনে নামজারি রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি মন্ত্রণালয়কে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান আসেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জমি বিক্রি করতে না পারায় তারা চিকিৎসা, বিবাহ এবং পারিবারিক প্রয়োজনে অর্থের সংস্থান করতে পারছেন না। ফলে এলাকায় এক ধরনের চরম হতাশাজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যদিও ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থানীয় ভূমি অফিসের কারিগরি সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে সাধারণ মানুষ দ্রুত এই দীর্ঘসূত্রতার অবসান চান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ডিনস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত ১৩ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

তজুমদ্দিনে সার্ভার জটিলতায় দেড় বছর ধরে জমির দলিল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে বাসিন্দারা

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে দীর্ঘ দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জমির নামজারি ও দলিল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে। মূলত সার্ভার জটিলতা এবং অনলাইন ডাটাবেজে তথ্য হালনাগাদ না থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে শম্ভুপুর ইউনিয়নের শিবপুর, গোলকপুরসহ ৭টি মৌজার কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। জমি কেনাবেচা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সামাজিক কলহ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জরুরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শম্ভুপুর ইউনিয়নটি আগে পার্শ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন উপজেলার অধীনে ছিল। বর্তমানে এটি তজুমদ্দিনের প্রশাসনিক সীমানায় থাকলেও ডিজিটাল ল্যান্ড রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (ডিএলআরএমএস) এখনও পুরনো তথ্য রয়ে গেছে। এই কারিগরি ত্রুটির কারণে অনলাইনে নামজারি রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি মন্ত্রণালয়কে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান আসেনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জমি বিক্রি করতে না পারায় তারা চিকিৎসা, বিবাহ এবং পারিবারিক প্রয়োজনে অর্থের সংস্থান করতে পারছেন না। ফলে এলাকায় এক ধরনের চরম হতাশাজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যদিও ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থানীয় ভূমি অফিসের কারিগরি সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে সাধারণ মানুষ দ্রুত এই দীর্ঘসূত্রতার অবসান চান।