রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৪০ বছরের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো এই অনুষদের পক্ষ থেকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে, যা অনুষদের ১০টি বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থী এবং তিনটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ৩ জন শিক্ষককে সম্মাননা জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করা হয়। অ্যাওয়ার্ডগুলো সেরা গবেষক, সেরা প্রবন্ধ, সেরা গ্রন্থ এবং সেরা শিক্ষার্থী – এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয়। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের প্রকাশনা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং ২০২৩ সালের বিএসএস (সম্মান) শিক্ষার্থীদের অসাধারণ একাডেমিক ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ এই বিশেষ সম্মাননা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সেরা প্রবন্ধ ক্যাটাগরিতে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরমান হোসেন, সেরা গ্রন্থকার ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক ড. মো. আওয়াল হোসেন মোল্লা এবং সেরা গবেষক ক্যাটাগরিতে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রণব কুমার পান্ডে এই মর্যাদাপূর্ণ ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
সেরা শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে অনুষদের ১০টি বিভাগের সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারী ১০ জন শিক্ষার্থীকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের নাফিসা ইয়াসমিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বর্ষা রাণী মন্ডল, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সানজিদা ফারজানা, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রিফাহ রাফিয়া বারী, ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রাজিয়া সুলতানা পারুল, লোক প্রশাসন বিভাগের মমতাজ ফারজানা থিথি, নৃবিজ্ঞান বিভাগের মিস জান্নাতুল মাওয়া শিন, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের তৃষা দাশ, সমাজকর্ম বিভাগের অন্তরা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আশরাফুল খান ফয়সাল।
ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী বর্ষা রাণী মন্ডল তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই সম্মাননা প্রাপ্তিতে আমি সৃষ্টিকর্তা, আমার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনের পথচলা দীর্ঘ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ ছিল, কিন্তু অবশেষে তা সার্থক হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, তোমরা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে এমন একটি বড় সম্মাননা লাভ করেছো। তোমাদের মেধার এই মূল্যায়ন করতে পেরে আমরা আনন্দিত।
রিপোর্টারের নাম 



















