ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীতে শ্রমিক ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি পক্ষের নেতৃত্বে একদল লোক শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয় দখলের চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৫ থেকে ৬টি শক্তিশালী ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এ সময় হামলাকারীরা আশপাশের দোকানপাট, ভবনের কাঁচ এবং বেশ কিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই শ্রমিক ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরম আকার ধারণ করে। বুধবার এক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শ্রমিকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই বিরোধের জেরেই বৃহস্পতিবার এই সশস্ত্র মহড়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

রাজশাহীতে শ্রমিক ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি পক্ষের নেতৃত্বে একদল লোক শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয় দখলের চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৫ থেকে ৬টি শক্তিশালী ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এ সময় হামলাকারীরা আশপাশের দোকানপাট, ভবনের কাঁচ এবং বেশ কিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই শ্রমিক ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরম আকার ধারণ করে। বুধবার এক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শ্রমিকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই বিরোধের জেরেই বৃহস্পতিবার এই সশস্ত্র মহড়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।