ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসালে দেখা মাত্রই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক পানিসীমায় মাইন স্থাপনকারী যে কোনো নৌকা বা ছোট নৌযানকে দেখা মাত্রই ধ্বংস করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীকে এই ‘শুটিং অ্যান্ড কিল’ আদেশ প্রদান করেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই আদেশ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের দ্বিধা করা যাবে না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে ওই এলাকায় মার্কিন মাইন অপসারণকারী জাহাজগুলো কাজ করছে এবং তিনি এই তৎপরতা তিন গুণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক এক মূল্যায়ন অনুযায়ী, পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করতে অন্তত ছয় মাস সময় লেগে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল নিরাপদ রাখতে এবং ইরানের যেকোনো ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা বন্ধে তারা বদ্ধপরিকর।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসালে দেখা মাত্রই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক পানিসীমায় মাইন স্থাপনকারী যে কোনো নৌকা বা ছোট নৌযানকে দেখা মাত্রই ধ্বংস করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীকে এই ‘শুটিং অ্যান্ড কিল’ আদেশ প্রদান করেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই আদেশ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের দ্বিধা করা যাবে না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে ওই এলাকায় মার্কিন মাইন অপসারণকারী জাহাজগুলো কাজ করছে এবং তিনি এই তৎপরতা তিন গুণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক এক মূল্যায়ন অনুযায়ী, পুরো প্রণালি মাইনমুক্ত করতে অন্তত ছয় মাস সময় লেগে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল নিরাপদ রাখতে এবং ইরানের যেকোনো ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা বন্ধে তারা বদ্ধপরিকর।