ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বার্লিনে হামলার শিকার ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ইরানের নির্বাসিত স্বঘোষিত ‘যুবরাজ’ রেজা পাহলভির ওপর লাল রঙের তরল পদার্থ ছুড়ে মেরেছেন এক বিক্ষোভকারী। বৃহস্পতিবার ফেডারেল প্রেস কনফারেন্স ভবন থেকে সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, পাহলভি যখন গাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তখন অতর্কিতভাবে তার ঘাড় ও কাঁধে লাল রঙ নিক্ষেপ করা হয়। তবে তিনি দ্রুত গাড়িতে চড়ে এলাকা ত্যাগ করেন।

জার্মান পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ওই বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে রেজা পাহলভি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বর্তমান ইরান সরকারের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দেন এবং এই যুদ্ধবিরতিকে ‘অকার্যকর’ বলে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে নির্বাসনে থাকা রেজা পাহলভি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনীতির অন্যতম অংশীদার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের পক্ষে তার অবস্থানের প্রতিবাদেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

বার্লিনে হামলার শিকার ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ইরানের নির্বাসিত স্বঘোষিত ‘যুবরাজ’ রেজা পাহলভির ওপর লাল রঙের তরল পদার্থ ছুড়ে মেরেছেন এক বিক্ষোভকারী। বৃহস্পতিবার ফেডারেল প্রেস কনফারেন্স ভবন থেকে সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, পাহলভি যখন গাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তখন অতর্কিতভাবে তার ঘাড় ও কাঁধে লাল রঙ নিক্ষেপ করা হয়। তবে তিনি দ্রুত গাড়িতে চড়ে এলাকা ত্যাগ করেন।

জার্মান পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ওই বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে রেজা পাহলভি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বর্তমান ইরান সরকারের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দেন এবং এই যুদ্ধবিরতিকে ‘অকার্যকর’ বলে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে নির্বাসনে থাকা রেজা পাহলভি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনীতির অন্যতম অংশীদার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের পক্ষে তার অবস্থানের প্রতিবাদেই এই হামলা চালানো হয়েছে।