বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপির) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দীর্ঘ ১৭–১৮ বছর কষ্টকর নির্বাসিত জীবন শেষে আজ তারেক রহমান নিজের মাতৃভূমিতে ফিরছেন। তাকে বরণের জন্য দেশবাসী অপেক্ষা করছে। আমরা সেই মুহূর্তের জন্যও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি এবং আশা করি, এটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিগত ৫৪ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে অবিস্মরণীয় ঘটনা আজ ঘটতে যাচ্ছে।
সালাহ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দেশি-বিদেশি দোসররা এখনও সক্রিয়। তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং নির্বাচনকে বানচাল করতে চেষ্টা করবে। তবে এটি তাদের জন্যই দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলনের পর মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। গত দেড় দশকে আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করেছি। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই আন্দোলন তার পরিণতি পেয়েছে। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, গণতন্ত্র মুক্ত হয়েছে, আর আজ আমরা এক মুক্তির আবহে দাঁড়িয়ে আছি।
উল্লেখ্য, আর কিছুক্ষণের মধ্যে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে ভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থান করছেন বিএনপি নেতারা।
তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি ইতোমধ্যে সিলেট ওসামানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে বিমানটি বিমানবন্দরে অবতরন করে। সেখানে এক ঘণ্টা বিরতির পর ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছে বিমানটি।
এর আগে তারেক রহমানকে বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরার এই যাত্রায় তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
রিপোর্টারের নাম 

























