ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘অর্থনীতির বিভিন্ন চলক ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন চলকের ভারসাম্যহীনতা ইতোমধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে চলে এসেছে বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জানানো হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বাজেট ব্যয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বলা হয়, আর্থিক অব্যবস্থাপনার ফলে দেশের ইমেজের যে নিম্নগতি হয়েছিল, তা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে ঋণপত্র খোলার হার বৃদ্ধি এবং ট্রেড ফিনান্সিং সহজতর হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। বৈঠকে মূল্যস্ফীতি, মজুরি প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ও বৈদেশিক খাত, চলতি হিসাব, প্রবাস আয়, আমদানি ও ঋণপত্র–সংক্রান্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

গত ১২ মাসের গড় হিসাবে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৩ সালের জুনের পর এই বছরের নভেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো ৯ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে বলে জানানো হয়। উল্লেখ্য, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ২০২৩ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে দাঁড়ায়। তবে সার্বিক মূল্যস্ফীতি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) ইতোমধ্যে এই বছরের জুন মাসে ৯ শতাংশের নিচে নেমে আসে এবং গত নভেম্বর মাসে আরও কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ হয়। আশা করা হচ্ছে, সরকারের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও কৃচ্ছ্রসাধনের ফলে আগামী বছরের জুনে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।

এতে আরও বলা হয়, বিগত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি প্রবৃদ্ধির হারের মধ্যে পার্থক্য ছিল অনেক বেশি, যার ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে আসছিল। তবে চলতি অর্থবছরের সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি প্রবৃদ্ধির হারের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই কমে এসেছে। সর্বশেষ গত নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি প্রবৃদ্ধি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৯ ও ৮ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল গড়ে ৯ দশমিক ০২ ও ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। ফলে বিগত বছরগুলোতে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকৃত আয় কমলেও বর্তমান অর্থবছরে এ অবস্থা থেকে ক্রমান্বয়ে উত্তরণ ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৃষি খাতে যথাযথ প্রণোদনা ও ব্যবস্থাপনার ফলে বিগত অর্থবছরে বোরো মৌসুমে বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমান সময় পর্যন্ত কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটায় আমন ধানেরও ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে চলতি অর্থবছরে সরকারের খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে সভায় আশা প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমন ধানের উৎপাদন ১৬০ দশমিক ৯৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট ফসল কাটা সম্পন্ন হলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আউশ ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম হলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় মোট উৎপাদন ৭ দশমিক ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আর্থিক ও বৈদেশিক খাতের ক্ষেত্রে সভায় জানানো হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের আগস্ট মাসে ছিল প্রায় ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়া, প্রবাস আয়ের গতি বৃদ্ধি এবং দেশের আর্থিক খাতে সম্প্রতি সুদের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ায় আগামীতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে চলতি হিসাব ঋণাত্মক ছিল। এর মধ্যে ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে মাইনাস ১৮ দশমিক ৭, ১১ দশমিক ৬ ও ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আর্থিক খাতে সুব্যবস্থাপনা ও অর্থ পাচার রোধের ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে এটি কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র মাইনাস ১৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে চলতি হিসাব ঘাটতি ছিল মাইনাস ৭৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে পাঁচ লাখ কর্মীর বৈদেশিক নিয়োগ নিশ্চিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ লাখ ৯৭ হাজার। একই সময়ে প্রবাস আয় হয়েছে ১৩ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও উৎপাদনশীল করতে আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত বিধিনিষেধ অপসারণ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে আমদানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাইনাস ১ দশমিক ২ শতাংশ, যা বর্তমান অর্থবছর (২০২৫-২৬)-এর একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশে।

মূলধনী যন্ত্রপাতির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে গত অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল মাইনাস ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ, যা বর্তমান অর্থবছরের একই সময়ে বেড়ে হয়েছে ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া শিল্পজাত কাঁচামাল আমদানির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ১ শতাংশ, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভানের ঐতিহাসিক অভিষেক

‘অর্থনীতির বিভিন্ন চলক ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে’

আপডেট সময় : ০৭:০০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন চলকের ভারসাম্যহীনতা ইতোমধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে চলে এসেছে বলে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জানানো হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বাজেট ব্যয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বলা হয়, আর্থিক অব্যবস্থাপনার ফলে দেশের ইমেজের যে নিম্নগতি হয়েছিল, তা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে ঋণপত্র খোলার হার বৃদ্ধি এবং ট্রেড ফিনান্সিং সহজতর হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। বৈঠকে মূল্যস্ফীতি, মজুরি প্রবৃদ্ধি, আর্থিক ও বৈদেশিক খাত, চলতি হিসাব, প্রবাস আয়, আমদানি ও ঋণপত্র–সংক্রান্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

গত ১২ মাসের গড় হিসাবে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৩ সালের জুনের পর এই বছরের নভেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো ৯ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে বলে জানানো হয়। উল্লেখ্য, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ২০২৩ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে দাঁড়ায়। তবে সার্বিক মূল্যস্ফীতি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) ইতোমধ্যে এই বছরের জুন মাসে ৯ শতাংশের নিচে নেমে আসে এবং গত নভেম্বর মাসে আরও কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ হয়। আশা করা হচ্ছে, সরকারের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও কৃচ্ছ্রসাধনের ফলে আগামী বছরের জুনে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।

এতে আরও বলা হয়, বিগত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি প্রবৃদ্ধির হারের মধ্যে পার্থক্য ছিল অনেক বেশি, যার ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে আসছিল। তবে চলতি অর্থবছরের সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি প্রবৃদ্ধির হারের মধ্যে পার্থক্য অনেকটাই কমে এসেছে। সর্বশেষ গত নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি প্রবৃদ্ধি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৯ ও ৮ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল গড়ে ৯ দশমিক ০২ ও ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। ফলে বিগত বছরগুলোতে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকৃত আয় কমলেও বর্তমান অর্থবছরে এ অবস্থা থেকে ক্রমান্বয়ে উত্তরণ ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কৃষি খাতে যথাযথ প্রণোদনা ও ব্যবস্থাপনার ফলে বিগত অর্থবছরে বোরো মৌসুমে বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমান সময় পর্যন্ত কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটায় আমন ধানেরও ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে চলতি অর্থবছরে সরকারের খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে সভায় আশা প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমন ধানের উৎপাদন ১৬০ দশমিক ৯৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট ফসল কাটা সম্পন্ন হলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আউশ ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম হলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় মোট উৎপাদন ৭ দশমিক ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আর্থিক ও বৈদেশিক খাতের ক্ষেত্রে সভায় জানানো হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের আগস্ট মাসে ছিল প্রায় ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়া, প্রবাস আয়ের গতি বৃদ্ধি এবং দেশের আর্থিক খাতে সম্প্রতি সুদের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ায় আগামীতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে চলতি হিসাব ঋণাত্মক ছিল। এর মধ্যে ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে মাইনাস ১৮ দশমিক ৭, ১১ দশমিক ৬ ও ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আর্থিক খাতে সুব্যবস্থাপনা ও অর্থ পাচার রোধের ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে এটি কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র মাইনাস ১৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এ ছাড়া চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে চলতি হিসাব ঘাটতি ছিল মাইনাস ৭৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে পাঁচ লাখ কর্মীর বৈদেশিক নিয়োগ নিশ্চিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ লাখ ৯৭ হাজার। একই সময়ে প্রবাস আয় হয়েছে ১৩ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও উৎপাদনশীল করতে আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত বিধিনিষেধ অপসারণ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে আমদানি প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাইনাস ১ দশমিক ২ শতাংশ, যা বর্তমান অর্থবছর (২০২৫-২৬)-এর একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশে।

মূলধনী যন্ত্রপাতির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে গত অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল মাইনাস ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ, যা বর্তমান অর্থবছরের একই সময়ে বেড়ে হয়েছে ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া শিল্পজাত কাঁচামাল আমদানির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ১ শতাংশ, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশে।