পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি হত্যা মামলায় স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে জড়িয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধুলাসার ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে তাড়িকাটা দাখিল মাদরাসার সামনের সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচিত হারিচ আহমেদ ওরফে মজিবুর হত্যা মামলায় ধুলাসার ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন খন্দকারকে আসামি করা হয়। এর প্রতিবাদে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন খন্দকার নিজের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত হারিচ আহমেদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। অথচ তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জসিম উদ্দিন আহত হারিচ আহমেদকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। সেই ব্যক্তিকে হত্যা মামলায় জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও অন্যায়। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং মামলা থেকে জসিম উদ্দিন খন্দকারের নাম প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন খন্দকারের স্ত্রী নাসিমা বেগম, ছেলে সোহেল খন্দকার, স্থানীয় জামাল শিকদার, শহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে নয়াকাটা গ্রামের হারিচ আহমেদ ওরফে মজিবুরের ওপর নৃশংস হামলা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাবুল বাদী হয়ে মহিপুর থানায় ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ইতোমধ্যে এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রিপোর্টারের নাম 



















