মাস শেষে প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর পূর্বাভাস; গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ৯.৫ শতাংশ। প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের ওপর ভর করে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতি এক শক্তিশালী ভিত গড়তে যাচ্ছে, যা দেশের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ডের পথে হাঁটছেন। চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম ২০ দিনেই দেশে এসেছে ২১৭ কোটি ২১ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ সাড়ে ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর এই সময়ে এসেছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স আসার এই বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ডিসেম্বর মাস শেষে মোট প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলার অতিক্রম করতে পারে। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এক নতুন প্রাণসঞ্চার করবে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৫২১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। গত নভেম্বর মাসেও রেকর্ড ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রবাসীদের এই অভূতপূর্ব সাড়া দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধা বৃদ্ধি এবং ডলারের সঠিক মূল্য পাওয়ায় প্রবাসীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এর ফলে আমদানিসহ অন্যান্য বৈদেশিক দায় মেটানো সরকারের জন্য আরও সহজ হবে।
রেমিট্যান্স রেকর্ড ২০২৫, প্রবাসী আয় ডিসেম্বর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বাংলাদেশের অর্থনীতি
রিপোর্টারের নাম 

























