নীল-আঁধার প্যান্ডোরার জগত ও বিস্ময়কর ভিজ্যুয়াল-জাদু নিয়ে সাজানো জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’ অভিনব প্রযুক্তির ফসল। টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি স্টুডিওসের পরিবেশনায় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সারা বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে কল্পবিজ্ঞানধর্মী এই ফ্র্যাঞ্চাইজের তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। বিশাল ক্যানভাসে নির্মিত ছবিটির গান গেয়ে এখন আলোচনায় তিনটি গ্র্যামিজয়ী আমেরিকান গায়িকা মাইলি সাইরাস। ‘ড্রিমস অ্যাজ ওয়ান’ শিরোনামের গানটি সুন্দর কথামালার মতোই সুরেলা। গত ১০ ডিসেম্বর ইউটিউবে ৩৩ বছর বয়সী এই তারকার চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে এটি।
ব্রিটিশ সুরস্রষ্টা সায়মন ফ্রাংলেন ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ চলচ্চিত্রের আবহ সংগীত তৈরি করেছেন। এজন্য দীর্ঘ সাত বছর লেগেছে তার! তিনি মোট ১ হাজার ৯০৭ পাতার অর্কেস্ট্রার স্কোর তথা স্বরলিপি লিখেছেন। কিন্তু মাইলি সাইরাস বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রশ্নের জবাবে জানান, ‘ড্রিমস অ্যাজ ওয়ান’ গানটি তৈরির জন্য খুব কম সময় পেয়েছেন তিনি। তার পাশাপাশি এতে সুরারোপ করেছেন সায়মন ফ্রাংলেন ও ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী মার্ক রনসন। গানটি লিখেছেন মাইলি সাইরাস, মার্ক রনসন ও আমেরিকান সংগীতশিল্পী অ্যান্ড্রু ওয়ায়েট।
‘ড্রিম অ্যাজ ওয়ান’ গানটি ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডসে সেরা মৌলিক গান শাখায় মনোনীত হয়েছে। অস্কারের সেরা মৌলিক গান বিভাগের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছে এটি। গোল্ডেন গ্লোবসের আন্তর্জাতিক ভোটার হিসেবে গত ২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের বেভারলি হিলসে দ্য ফোর সিজনস হোটেলের বলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছি। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটে হাজির হন খ্যাতিমান কানাডিয়ান পরিচালক জেমস ক্যামেরন। কিন্তু তাকে প্রশ্ন করার সুযোগ মেলেনি। সামনে উপস্থিত সাংবাদিকরাই বেশি সুযোগ পেয়েছেন। ভার্চুয়ালি যুক্ত ভোটারদের মধ্যে কেবল ব্রাজিলের রদ্রিগো প্রশ্ন করতে পেরেছেন ক্যামেরনকে। তিনি চলে যাওয়ার পর রাত ১২টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় মাইলি সাইরাসের প্রশ্নোত্তর পর্ব। কালো রঙের ওপর সোনালি কারুকাজের স্যুট পরে হাজির হন তিনি।
যথারীতি সামনে উপস্থিত সাংবাদিকরাই বেশি সুযোগ পেয়েছেন। ভার্চুয়ালি এবার ভাগ্য মুখ ফিরে তাকালো আমার দিকে! ঠিক ১৫ মিনিটের মাথায় সঞ্চালক যখন বললেন, ‘পরবর্তী প্রশ্ন বাংলাদেশের জনি হকের কাছ থেকে ভার্চুয়ালি আমাদের কাছে আসবে।’ তার কথা শুনে মাইলির মুখ থেকে বেরিয়ে এলো, ‘ঠিক আছে। ধন্যবাদ।’ কিন্তু ‘ভার্চুয়ালি’ শব্দটি বোধহয় খেয়ালে ছিল না তার! এ কারণে ‘হাই মাইলি!’ বলে শুভেচ্ছা জানাতেই গায়িকা এদিক-ওদিক তাকিয়ে নিচু স্বরে বলতে লাগলেন, ‘একটু থামুন। আপনাকে হাত তুলতে হবে।‘ সরাসরি উপস্থিত সাংবাদিকদের কেউ একজন স্ক্রিনে দেখতে বলায় চমকে ওঠার মতো অভিব্যক্তিতে পর্দায় তাকিয়ে তিনি বললেন, ‘তাই তো বলি, আচ্ছা উনি স্ক্রিনে আছেন!’
এরপর মাইলি ক্যামেরায় চোখ রেখে মিষ্টি করে হেসে বললেন, ‘হাই!’ আমিও একই শব্দে আবারও তাকে শুভেচ্ছা জানালাম।
মাইলি সাইরাস: আপনি তো সত্যিই আক্ষরিক অর্থে বাংলাদেশ থেকে বলছেন… কারণ এখানে সবাই প্রশ্নের শুরুতে বলছিল, কে কোন জায়গা থেকে এসেছে। কিন্তু আপনি তো সত্যিই দূর দেশ থেকে… অসুবিধা নেই। হাই!
জনি হক: এখন কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?
মাইলি: হ্যাঁ, আপনার কথা শুনতে পাচ্ছি। ধন্যবাদ।
জনি হক: আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ায় ভালো লাগছে। মাইলি, গানটি তৈরির সময় কি জেমস ক্যামেরন অথবা তার টিমের সদস্যদের সঙ্গে আপনি সরাসরি বসেছিলেন? এর পাশাপাশি জানতে চাই…
মাইলি: বলুন, শুনছি।
জনি হক: ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়। এমন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজের অংশ হিসেবে গানটি থাকবে— এ বিষয়টি কি আপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছিল, নাকি উল্টো আরও স্বাধীনতা অনুভব করেছেন?
মাইলি: আচ্ছা, হ্যাঁ। জেমস ক্যামেরন ও তার টিম প্রায় ২০ বছর ধরে এই ফ্র্যাঞ্চাইজ নিয়ে কাজ করছেন। এবারের কিস্তিতে আমাকে প্রায় শেষ মুহূর্তে যুক্ত করা হয়। তারা সব কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছিলেন। তারপর হয়তো জেমস ক্যামেরনের খেয়াল হয় যে, এন্ড-ক্রেডিটের জন্য কোনও গান নেই। তখনই একেবারে শেষ মুহূর্তে আমাকে এই ছবিতে যুক্ত করা হয়। আপনাকে জানিয়ে রাখি, আমি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এর প্রায় চূড়ান্ত সংস্করণটাই দেখার সুযোগ পেয়েছি। ফলে আমার জন্য মূল চাপ ছিল সময়স্বল্পতা। কারণ অল্প সময়ের মধ্যেই কাজটা ঠিকঠাকভাবে করে ফেলতে হবে।
মাইলি সাইরাস মাইলি: আরেকটা বিষয় হলো— জেমস ক্যামেরনের চারপাশের সবাই আসলে জিনিয়াস। (হাসি) তারা সবাই বহু বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করে এই দারুণ ফ্র্যাঞ্চাইজ গড়ে তোলার সময় পেয়েছে। আর আমি এই টিমে একেবারে নতুন। শুরুতে পুরোপুরিভাবে পরিবারটির সঙ্গে মিশতে পারিনি। তাই কখনও কখনও আমাদের জানা বিষয় যেমন কর্মক্ষেত্রে সহায়ক হয়, একইভাবে অনেক সময় আমরা যা জানি না, সেটাও কাজে আসে। কারণ আমি অন্তত মনে করি— কেউ নিজেদের মতো করে দীর্ঘ সময় ধরে কোনও কিছু নিয়ে লেগে থাকলে সেই বিষয়ের অনেক কাছাকাছি চলে যায়। বাইরে থেকে সেটি বোঝা মুশকিল। কারণ তারা বরাবরই বেশি জানার পরিধিতে থাকে।
মাইলি: তাই আমি অনুভব করেছি, স্পষ্টতই ‘অ্যাভাটার’-এর মতো কোনও বিখ্যাত ফ্র্যাঞ্চাইজের বিশাল প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার আলাদা একটা চাপ আছে। তবে সেই সঙ্গে আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে, অন্য যেকোনও কিছুর চেয়ে ভালোবাসা, সহনশীলতা, পরিবার ও সাহসিকতা নিয়ে সবচেয়ে ভালো লিখতে পারি আমি। নিজেকে নিয়ে অনেকটা নিশ্চিত ছিলাম যে, ‘অ্যাভাটার’-এর মূল্যবোধগুলো কীভাবে গান আকারে প্রকাশ করা যায় আমি তা জানি। তবে এমন একটি বড় স্কেলের প্রকল্পে কাজ করার সময় অবশ্যই কিছুটা চাপ থাকে। আর জেমস ক্যামেরন বলেছিলেন— ‘মাইলির গান মনে হবে এমন কিছু বানাও। সেটা যেকোনও গানই হতে পারে।’
মাইলি: স্পষ্টই বোঝা যায়, জেমস ক্যামেরন পুরো ডিস্কোগ্রাফির গভীরে যাননি। কারণ এটা যেকোনও দিকেই যেতে পারে। আমার বেলায় আমি একজন ‘অ্যাভাটার’প্রেমী হিসেবে ধারণা করতে পারছিলাম, এমন বিশাল ক্যানভাসের একটি যাত্রা শেষে আমি কী শুনতে চাইবো। আমরা জানি, ছবিটিতে অনেক অ্যাকশন আছে। প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেরিয়ে ঘরে ফেরার সময় ঠিক কী দেখলাম ভাবতাম? আমি মনে করি, এই গানটি সেই অনুভূতি প্রকাশ করছে।
মাইলিকে নিয়ে কয়েক ছত্র
১৯৯২ সালের ২৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি জন্মগ্রহণের পর তার নাম রাখা হয় ডেসটিনি হোপ সাইরাস। শৈশবে হাসিখুশি হওয়ায় তাকে আদর করে ‘স্মাইলি’ ও ‘মাইলি’ ডাকতেন বাবা গায়ক বিলি রে সাইরাস ও মা জিন সাইরাস। সেই ডাকনামে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৮ সালে আইনিভাবে নিজের নাম বদলে ‘মাইলি রে সাইরাস’ রাখেন তিনি। ২০০৯ সালে শরীরে প্রথম ট্যাটু করা শুরু করেন। তারপর আর থামেননি! তার শরীরে প্রায় শতাধিক ট্যাটু আছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ডিজনি চ্যানেলের বিখ্যাত সিরিজ ‘হান্না মন্টানা’য় অভিনয়ের মাধ্যমে কৈশোরেই খ্যাতি পান মাইলি সাইরাস। শিশুশিল্পী থেকে ধীরে ধীরে পপসংগীতে খ্যাতি পেতে থাকেন তিনি। হান্না মন্টানা চরিত্রটি তার জীবন আমূল বদলে দেয়।
২০২৩ সালে প্রকাশিত মাইলি সাইরাসের ‘এন্ডলেস সামার ভ্যাকেশন’ অ্যালবামের তুমুল জনপ্রিয় গান ‘ফ্লাওয়ার্স’ সুইডিশভিত্তিক অডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাই’তে রেকর্ড গড়ে। এটি প্রকাশের মাত্র ৭ দিনে ১০ কোটি স্ট্রিমিং হয়। দ্রুততম সময়ে এই মাইলফলক আর কারও নেই। ২০২১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যান্ড বিটিএস-এর ‘বাটার’ গানটি স্পটিফাইয়ে ১০০ মিলিয়ন স্ট্রিমিংয়ের রেকর্ড গড়তে আট দিন লেগেছে।
‘ফ্লাওয়ার্স’ গানের জন্য ৬৬তম গ্র্যামিতে রেকর্ড অব দ্য ইয়ার ও সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স পুরস্কার দুটি জিতেছেন মাইলি। ৬৭তম আসরে বিয়ন্সের সঙ্গে ‘ইট মোস্ট ওয়ান্টেড’ গানের জন্য সেরা কান্ট্রি দ্বৈত/দলীয় পারফরম্যান্স বিভাগে গ্র্যামি পান তিনি। গ্র্যামির ৬৮তম আসরে মাইলির ‘সামথিং বিউটিফুল’ সেরা পপ ভোকাল অ্যালবাম বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে। এটি তার নবম স্টুডিও অ্যালবাম।
গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডসের সেরা মৌলিক গান বিভাগে টানা দুই বছর মনোনীত হলেন মাইলি সাইরাস। গত বছর ‘দ্য লাস্ট শোগার্ল’ ছবির ‘বিউটিফুল দ্যাট ওয়ে’র জন্য মনোনয়ন পান তিনি। এর আগে ২০০৯ সালে ‘বোল্ট’ ছবির জন্য হলিউড তারকা জন ট্রাভোল্টার সঙ্গে গাওয়া ‘আই থট আই লস্ট ইউ’ তাকে প্রথমবার এই মনোনয়ন এনে দেয়।
ব্যক্তিজীবনে ভালোবেসে অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা লিয়াম হেমসওয়ার্থকে বিয়ে করেছিলেন মাইলি। ২০১২ সালে বাগদান হয় তাদের। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে চুপিসারে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু সেই সংসার বছরখানেকের বেশি টেকেনি। এখন ড্রামার ম্যাক্স মোরান্দোর সঙ্গে প্রেম করছেন মাইলি। তাকে নিয়ে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ছবির প্রিমিয়ারে হাজির হন তিনি। লালগালিচায় তাকে ফুরফুরে লেগেছে।
জেমস ক্যামেরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ৭১ বছর বয়সী জেমস ক্যামেরন যা বলেছেন, সেসবের মধ্যে একটি উত্তর আমার মনোযোগ কেড়েছে। ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ৪০ কোটি ডলার (৪ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা)। এ প্রসঙ্গে জেমস ক্যামেরন বলেন, “আমরা যত বেশি টাকা খরচ করি, তত বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়, তাই না? যতটা বুঝি, কর্মসংস্থান তৈরি করা ভালো বিষয়। ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ছবির ক্রেডিটে ৩ হাজার ৮০০টি নাম রয়েছে। অর্থাৎ ৩ হাজার ৮০০টি চাকরি। হয়তো সব দীর্ঘমেয়াদি কিংবা ধারাবাহিক চাকরি ছিল না। যারা এই ছবিতে কাজ করেছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ চার বছর, কেউ পাঁচ বছর ধরে এতে যুক্ত ছিলেন। যদি কখনো একটি সিনেমা বানাতে ২০০ কোটি ডলার বাজেট রাখার পক্ষে যুক্তি দাঁড় করাতে হয়, আমি সেটাও করবো। কারণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে ভালো লাগে আমার। যারা নিজের শিল্পীসত্তার কাজ উপভোগ করে, তারা যেন সেটাই করে ও সেজন্য পারিশ্রমিক পায়। কিন্তু এখানে একটা জটিলতা আছে। আমরা এখন প্রেক্ষাগৃহভিত্তিক সংকুচিত বাজারের মধ্যে আছি। আমরা এসব চলচ্চিত্র তৈরি করি মূলত প্রেক্ষাগৃহের বাজারের জন্য। স্ট্রিমিং, হোম ভিডিওসহ আরও নানা মাধ্যমে ছবি দর্শকদের কাছে পৌঁছায়। ভালো গল্প মানে অবশ্যই ভালো গল্প। ছোট পর্দায়ও সেটার মূল্যায়ন হয়। এখন তো ছোট পর্দা আর তেমন ছোট নেই। বেশিরভাগ ঘরেই বড় আকারের টিভি সেট আছে, আর রাখা হয় ভালো সাউন্ড সিস্টেম, তাই না?’
‘অ্যাভাটার’ রেকর্ড
২০০৯ সালে ‘অ্যাভাটার’ ও ২০২২ সালে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরমধ্যে ২৯২ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের বেশি (৩৫ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা) আয় করে বিশ্বে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্রের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ‘অ্যাভাটার’। এর বাজেট ছিলো ২৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার (২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা)। করোনা পরবর্তী সময়ে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ আয় করে ২৩৪ কোটি ৩১ লাখ ডলার (২৮ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা)। এর বাজেট ছিলো ৩৫ কোটি ডলার (৪ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা)।
রিপোর্টারের নাম 

























