ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪-৫ বছর লাগে: গভর্নর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এর চেয়ে কম সময়ে অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখছে।

মামলার মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবতা আমাদের মেনে নিতে হবে। বিদেশি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে অর্থ ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে এটি সম্ভব নয়।

গভর্নর বলেন, লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সেটিকে বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ মামলাটিতে কার্যত লড়েনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা মামলাটি হেরে গেছে।

অন্য মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, সেগুলো মূলত আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেখানে সরকারের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এস আলম গ্রুপ সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম গ্রুপ আরবিট্রেশন মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘চোরের মার বড় গলা—আমরা মামলাটি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ৪-৫ বছর লাগে: গভর্নর

আপডেট সময় : ০৪:২০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এর চেয়ে কম সময়ে অর্থ ফেরত আনা বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দেখছে।

মামলার মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাস্তবতা আমাদের মেনে নিতে হবে। বিদেশি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে অর্থ ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে এটি সম্ভব নয়।

গভর্নর বলেন, লন্ডনে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সেটিকে বড় সৌভাগ্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ মামলাটিতে কার্যত লড়েনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তারা মামলাটি হেরে গেছে।

অন্য মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, সেগুলো মূলত আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেখানে সরকারের করার মতো খুব বেশি কিছু নেই।

এস আলম গ্রুপ সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে চাইলে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম গ্রুপ আরবিট্রেশন মামলা দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘চোরের মার বড় গলা—আমরা মামলাটি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।’