সরকারের প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চুয়াডাঙ্গার বিসিক শিল্পনগরী চার বছরেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমে ফিরতে পারেনি। নির্মাণের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও একদিকে যেমন অর্ধেকের বেশি প্লট অবিক্রিত রয়ে গেছে, অন্যদিকে বরাদ্দ পাওয়া উদ্যোক্তারাও অবকাঠামো ও নিরাপত্তাহীনতার অজুহাতে কারখানা স্থাপনে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহ এলাকায় ২৫ একর জমির ওপর এই বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০২২ সাল থেকে ৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭৮টি প্লট বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৩৪টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকি ৪৪টি প্লট এখনো অবিক্রিত। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, বরাদ্দ দেওয়া ৩৪টি প্লটের মধ্যে নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত মাত্র একটি কারখানা চালু হতে পেরেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শিল্পনগরীর বিশাল এলাকা এখন আগাছায় পরিপূর্ণ হয়ে আছে। শিল্প উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, এই শিল্পনগরীতে মৌলিক অবকাঠামোর অভাব যেমন রয়েছে, তেমনি রাস্তার কাজে অনিয়ম ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সংকট প্রকট। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা জমির উচ্চমূল্য এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সঠিক প্রচারণার অভাবে বিসিক সম্পর্কে অনেক ব্যবসায়ীর স্পষ্ট ধারণাও নেই বলে জানা গেছে।
তবে স্থবিরতা কাটিয়ে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে আগ্রহী করতে উদ্যোগ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বিসিক চুয়াডাঙ্গার উপ-ব্যবস্থাপক এবিএম আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, উদ্যোক্তাদের টানতে সহজ শর্তে কিস্তির সুবিধাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে শিল্পনগরীটিকে সচল করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন।
রিপোর্টারের নাম 























