ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

হাদির ওপর হামলাকারী কারা, আমরা অনুমান করতে পারি: মামুনুল হক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরে মজলিস মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন বলেছেন, হাদির ওপর হামলাকারী কারা—আমরা অনুমান করতে পারি। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের প্রতীকের প্রতি যারা মায়াকান্না দেখায়, ভারতীয় আধিপত্যকে যারা ‘প্রতিবেশী’ নাম দিয়ে বৈধতা দেয়, জরিপের নামে যারা আওয়ামী লীগকে ‘নরমালাইজড’ করতে চায়, জনতার প্রতিরোধকে যারা ‘মব’ আখ্যা দেয় এবং উসকানিদাতাদের ব্যক্তিস্বাধীনতার নামে রক্ষা করে—তাদের সবাইকে থেমে যেতে হবে।’

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মামুনুল হক। পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।

মামুনুল বলেন, ‘গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ উসমান হাদির ওপর সংঘটিত বর্বরোচিত ও প্রাণঘাতী হামলার দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে ‘২৪-এর পরাজিত শক্তি’ প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে নেমেছে। তফসিল ঘোষণার পরও নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন কেন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও সর্বাত্মক অভিযান শুরু করতে পারেনি— এই প্রশ্ন আমাদেরকে যুগপৎ বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ করেছে।’

আমিরে মজলিস রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ক্ষমতার মোহে কেউ যেন পরাজিত শক্তির প্রতি বিন্দুমাত্র অনুকম্পা না দেখায়। যে যা করেছে, তার দায় তাকেই নিতে হবে। কাউকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার দুষ্টচিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। অন্যথায়, পরিণতি শুভ হবে না।এ ব্যাপারে আমরা হুঁশিয়ার করছি। ভোট তো ফ্যাসিস্টদেরও ছিল, কিন্তু পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের সব দাবি ও অহংকার ভেঙে পড়ে। হাদির রক্ত ইনশাআল্লাহ জনতাকে আরও নির্ভীক করে তুলবে।

নির্বাহী বৈঠক শেষে শুক্রবার ইন্তেকাল করা সংগঠনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা হেলালুদ্দীন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দুআ করা হয়। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন—সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমির মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মুফতি সাঈদ নূর, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী ও মাওলানা মাহবুবুল। যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতি শরাফত হোসাইন ও মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়াসা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি: সভাপতি মনিরুজ্জামান, সম্পাদক নূর

হাদির ওপর হামলাকারী কারা, আমরা অনুমান করতে পারি: মামুনুল হক

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরে মজলিস মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন বলেছেন, হাদির ওপর হামলাকারী কারা—আমরা অনুমান করতে পারি। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের প্রতীকের প্রতি যারা মায়াকান্না দেখায়, ভারতীয় আধিপত্যকে যারা ‘প্রতিবেশী’ নাম দিয়ে বৈধতা দেয়, জরিপের নামে যারা আওয়ামী লীগকে ‘নরমালাইজড’ করতে চায়, জনতার প্রতিরোধকে যারা ‘মব’ আখ্যা দেয় এবং উসকানিদাতাদের ব্যক্তিস্বাধীনতার নামে রক্ষা করে—তাদের সবাইকে থেমে যেতে হবে।’

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মামুনুল হক। পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।

মামুনুল বলেন, ‘গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ উসমান হাদির ওপর সংঘটিত বর্বরোচিত ও প্রাণঘাতী হামলার দায় সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে ‘২৪-এর পরাজিত শক্তি’ প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে নেমেছে। তফসিল ঘোষণার পরও নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন কেন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও সর্বাত্মক অভিযান শুরু করতে পারেনি— এই প্রশ্ন আমাদেরকে যুগপৎ বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ করেছে।’

আমিরে মজলিস রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ক্ষমতার মোহে কেউ যেন পরাজিত শক্তির প্রতি বিন্দুমাত্র অনুকম্পা না দেখায়। যে যা করেছে, তার দায় তাকেই নিতে হবে। কাউকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার দুষ্টচিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। অন্যথায়, পরিণতি শুভ হবে না।এ ব্যাপারে আমরা হুঁশিয়ার করছি। ভোট তো ফ্যাসিস্টদেরও ছিল, কিন্তু পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের সব দাবি ও অহংকার ভেঙে পড়ে। হাদির রক্ত ইনশাআল্লাহ জনতাকে আরও নির্ভীক করে তুলবে।

নির্বাহী বৈঠক শেষে শুক্রবার ইন্তেকাল করা সংগঠনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা হেলালুদ্দীন আহমেদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দুআ করা হয়। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন—সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমির মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মুফতি সাঈদ নূর, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী ও মাওলানা মাহবুবুল। যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতি শরাফত হোসাইন ও মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান।