বাংলাদেশের রাজনীতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যারচেষ্টা চালানো হয়েছে। যেমনটি স্বাধীনতার উষালগ্নে দেশের শ্রেষ্ঠসন্তান শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ হাজারও বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে পরাজিত অপশক্তি।
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।
যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপের নেতারা বলেন, হাদির ওপর হামলা শুধু একটি দুঘর্টনা নয়, এর পেছনের প্রকৃত রহস্য গভীর; যা সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের অবদান কোনও দিন ম্লান হবে না। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আকাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে আমাদের জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি করা সময়ের দাবি।
তারা আরও বলেন, ওসমান হাদির ওপর এই সশস্ত্র হামলা জুলাই অভ্যুত্থান, গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিকদের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত। এই আক্রমণ নিঃসন্দেহে নির্বাচনি পরিবেশ বানচাল করে গণতন্ত্রকেই অকার্যকর করার নীলনকশা।
রিপোর্টারের নাম 
























