কাঁথা বিছিয়ে, মাথার নিচে ব্যাগ দিয়ে কিংবা সামান্য কাগজ বা মাদুর পেতে— এভাবেই ৩ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের খোলা চত্বরে রাত কাটালেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। রবিবার (১২ অক্টোবর) মধ্যরাতের পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, অনেক শিক্ষকই তখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, আবার অনেকেই তীব্র শীত উপেক্ষা করে ঘুমিয়ে পড়েছেন। তাদের একটাই কথা, ৩ দফা দাবি আদায়ে সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।
এরই মধ্যে আন্দোলনকারীরা শহীদ মিনার থেকে সোমবার (আজ) অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
গভীর রাতে শিক্ষকদের অবস্থান সম্পর্কে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন আজিজী বলেন, “ইতোমধ্যে আমাদের নিরীহ শিক্ষকদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে, টিয়ারশেল ও জলকামান নিক্ষেপ করেছে। আমাদের শিক্ষকদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের কর্মবিরতির কর্মসূচি মঙ্গলবার থেকে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যেহেতু আমাদের শিক্ষকদের ওপর হামলা করা হয়েছে, তাই আমরা কর্মসূচি এগিয়ে এনেছি। আগামীকাল (সোমবার) থেকে সারা দেশের সব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি চলবে।”
আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে, তবে অল্প কয়েকজন শিক্ষক সেখানে থাকবেন; বাকি সবাই শহীদ মিনারে এসে অবস্থান নেবেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারি করা না হবে, ততক্ষণ আমরা শহীদ মিনারে থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাব। একদিকে এখানে আমাদের লাগাতার ২৪ ঘণ্টার কর্মসূচি চলবে, অন্যদিকে সারা দেশের সব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি চলবে।”
রিপোর্টারের নাম 






















