সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে স্থানীয় প্রভাব ও ব্যক্তিগত সখ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে বঞ্চিত আবেদনকারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ইউনিয়নে সুপারভাইজার ও ওয়ার্ড পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হলেও চূড়ান্ত তালিকায় অনেক অযোগ্য ব্যক্তির নাম এসেছে। এমনকি পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও চূড়ান্ত তালিকায় নাম ওঠার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ ইউনিয়নে এক আবেদনকারী পরীক্ষায় অংশ না নিলেও তাকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে যে, স্থানীয় প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বিতর্কিত হয়েছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রার্থীদের বাদ দিয়ে দলীয় বিবেচনায় তালিকা তৈরির অভিযোগ তুলছেন বঞ্চিতরা। তারা এই বিতর্কিত তালিকা বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। বর্তমান সরকারের সুশাসনের অঙ্গীকার রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
রিপোর্টারের নাম 























