জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) টানা ১৪তম অর্থবছরেও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা সরকারের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় না হওয়ার কারণে সরকারকে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বেশি পরিমাণে ঋণ নিতে হচ্ছে। এর ফলে সরকারের ঋণ ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বাড়ছে, যা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। বর্তমান বিএনপি সরকারের (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে) সময় এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেছেন, লক্ষ্য নির্ধারণে ত্রুটি, অর্থনৈতিক কাঠামোগত সংকট, ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স কালচারের অভাব এবং এনবিআরের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতি রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রধান বাধা।
এনবিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত আড়াই দশকে এনবিআর মাত্র পাঁচবার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছিল। তবে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলেও প্রতি বছর রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, যা একটি ইতিবাচক দিক। ব্যতিক্রম ছিল ২০১৯-২০ অর্থবছর, যখন করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে রাজস্ব আদায়ে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি ঘটেছিল।
রিপোর্টারের নাম 
























