বর্তমান সরকারের (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার) অধীনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে ছাত্ররাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছে। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে (বিগত সরকার) ছাত্রলীগ যে দানবীয় রূপ ধারণ করেছিল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল, তা এখন অতীত। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরে এসেছে এবং শিক্ষাঙ্গনে শান্তি ফিরে এসেছে, যা বর্তমানে দৃশ্যমান।
অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন মতাদর্শের ছাত্রসংগঠনগুলো একসাথে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। এর ফলে শুধু শেখ হাসিনার পতনই ঘটেনি, তিনি দেশ ছাড়তেও বাধ্য হয়েছিলেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন) সময় এবং বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের প্রধান চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ তিন দশক পর শান্তিপূর্ণভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনগুলো কোনো সংঘাত ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে এবং ছাত্রসংগঠনগুলো ফলাফলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছে, যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির একটি ইতিবাচক দিক।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হলগুলোতে আসন বণ্টন এবং গণরুমের মতো সমস্যাগুলোও এখন অবসান হতে চলেছে। ছাত্র সংসদগুলো প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে। এই পরিবর্তনগুলো ছাত্ররাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের অধিকারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























