ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে সানোয়ার বেপারি (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত আরও ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) দুপুরে পৌর এলাকার সদরদী গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ফরিদপুর জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হযরত ফাতেমাতুজ যহুরা (রাঃ) মহিলা মাদরাসার ছাত্রীদের বেশ কিছুদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই এলাকার বশার মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর। সোমবার সকালে মাদরাসার মোহতামিম মুফতি মনির বেপারি এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এর পরপরই মাতুব্বর পক্ষের লোকজন তাদের হুমকি-ধমকি দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। সেখানেই আতিয়ার বেপারির ছেলে সানোয়ারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী আছমত মাতুব্বর জানান, প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হলে স্থানীয়রা তাদের শান্ত করে বাড়িতে ফিরিয়ে দেন। কিন্তু পরবর্তীতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, যা শেষ পর্যন্ত প্রাণহানির কারণ হয়।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিহত যুবকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
রিপোর্টারের নাম 

























