মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৪৭ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

কলম্বিয়ার চোকো অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৪৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেখানে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৭.৪ মাত্রার। বিভিন্ন ভবন ধসে পড়ার পাশাপাশি হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) এবং কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক পরিষেবা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে, যা রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। শুরুতে এর মাত্রা ৬.৬ নিরূপণ করা হলেও পরে তা ৭.৪-এ উন্নীত হয়। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্রস্থল ছিল।

ভূমিকম্পের পর চোকোসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার ও জরুরি সেবার কর্মীরা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছেন। কলম্বিয়া ও প্রতিবেশী ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রাদেশিক রাজধানী কুইবদোতেও হতাহত ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রাজধানী বোগোটাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং কিছু ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেশের একাধিক এলাকায় ভবন ধসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। চোকো প্রদেশের কুইবদোতে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পেরেইরা ও মানিজালেস শহরেও ভবন ধসের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি পরীক্ষায় নেত্রকোনা জেলায় সর্বোচ্চ পাসের হার: ময়মনসিংহ বিভাগে শীর্ষ

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৪৭ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ১১:১৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

কলম্বিয়ার চোকো অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৪৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেখানে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৭.৪ মাত্রার। বিভিন্ন ভবন ধসে পড়ার পাশাপাশি হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) এবং কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক পরিষেবা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে, যা রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। শুরুতে এর মাত্রা ৬.৬ নিরূপণ করা হলেও পরে তা ৭.৪-এ উন্নীত হয়। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্রস্থল ছিল।

ভূমিকম্পের পর চোকোসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার ও জরুরি সেবার কর্মীরা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছেন। কলম্বিয়া ও প্রতিবেশী ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। প্রাদেশিক রাজধানী কুইবদোতেও হতাহত ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রাজধানী বোগোটাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং কিছু ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেশের একাধিক এলাকায় ভবন ধসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। চোকো প্রদেশের কুইবদোতে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পেরেইরা ও মানিজালেস শহরেও ভবন ধসের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।