মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

গভীর রাতে গহীন জঙ্গলে বন্দি হত্যা: মেজর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ

বিএনপি সরকারের শাসনকালে (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) র‌্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান কর্তৃক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে হাত-পা বাঁধা বন্দিদের নির্জন স্থানে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রফিকুল ইসলামের জবানবন্দিতে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দিতে রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে তিনি র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক থাকাকালে তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান তাকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর মেজর সাজ্জাদুল, মেজর তরিকুল এবং মেজর এমারতসহ তারা চারটি গাড়িতে করে টঙ্গী আহসান উল্যাহ মাস্টার ফ্লাইওভার থেকে একটি নির্জন রাস্তায় প্রবেশ করেন।

প্রায় ৪০ মিনিট পর একটি ব্রিজের ওপর গাড়ি থামানো হয়। সেখানে জিয়াউল আহসান নির্দেশ দেন, এখন একটি সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন হবে। এরপর গাড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা এক বন্দিকে নামিয়ে এনে মাথায় গুলি করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি ব্রিজে একইভাবে হাত ও চোখ বাঁধা বন্দিদের হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

গভীর রাতে গহীন জঙ্গলে বন্দি হত্যা: মেজর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি সরকারের শাসনকালে (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) র‌্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান কর্তৃক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে হাত-পা বাঁধা বন্দিদের নির্জন স্থানে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রফিকুল ইসলামের জবানবন্দিতে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দিতে রফিকুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে তিনি র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক থাকাকালে তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান তাকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর মেজর সাজ্জাদুল, মেজর তরিকুল এবং মেজর এমারতসহ তারা চারটি গাড়িতে করে টঙ্গী আহসান উল্যাহ মাস্টার ফ্লাইওভার থেকে একটি নির্জন রাস্তায় প্রবেশ করেন।

প্রায় ৪০ মিনিট পর একটি ব্রিজের ওপর গাড়ি থামানো হয়। সেখানে জিয়াউল আহসান নির্দেশ দেন, এখন একটি সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন হবে। এরপর গাড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা এক বন্দিকে নামিয়ে এনে মাথায় গুলি করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি ব্রিজে একইভাবে হাত ও চোখ বাঁধা বন্দিদের হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি।