২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে আধিপত্য বিস্তারকারী ক্লাব বসুন্ধরা কিংস বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটের সম্মুখীন। ক্লাবটির বিরুদ্ধে ফুটবলারদের অভিযোগ, তারা ১৪ মাস ধরে তাদের বেতন পাচ্ছেন না। এই অভিযোগ ক্লাবের পেশাদারিত্ব এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার উপর প্রশ্ন তুলেছে।
বসুন্ধরা কিংসের চুক্তিবদ্ধ এক সিনিয়র ফুটবলার অভিযোগ করেছেন যে, তার দুই বছরের বেতন বকেয়া পড়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পারিশ্রমিকের একটি অংশ পেলেও, সিংহভাগই বকেয়া রয়ে গেছে। সব মিলিয়ে তার বকেয়া ২ কোটি টাকারও বেশি দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবল খেলা ছাড়া তাদের আয়ের অন্য কোনো উৎস নেই এবং নিয়মিত বেতন না পেলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এই আর্থিক অনিশ্চয়তা খেলোয়াড়দের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে।
অন্যান্য খেলোয়াড়দের অবস্থাও একই রকম। সিনিয়র খেলোয়াড়দের দুই বছর এবং জুনিয়র ও নতুন খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে বেতন বকেয়া রয়েছে। সর্বশেষ লিগ শেষ হওয়ার পর খেলোয়াড়রা সামান্য কিছু অর্থ পেলেও, বকেয়া বেতনের ব্যাপারে ক্লাব বারবার আশ্বাস দিলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না, বরং তা প্রকট আকার ধারণ করছে।
ক্লাবটি আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে থেকেই আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তারিক কাজী প্রায় এক বছর ধরে বকেয়া বেতন না পাওয়ার অভিযোগ এনে ক্লাব ছেড়েছেন। ইংল্যান্ডের প্রবাসী ফুটবলার কিউবা মিচেলও বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























