মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ডে অবহেলিত ‘নজরুল স্কয়ার’: নজরুল বর্ষেও সংস্কারহীন জাতীয় কবির স্মৃতিচিহ্ন

সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিরক্ষায় নির্মিত ‘নজরুল স্কয়ার’ বর্তমানে চরম অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ২০২৬ সালকে দেশজুড়ে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে পালন করা হলেও কবির ভাস্কর্যে জমেছে শ্যাওলা ও ময়লার আস্তরণ, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

জানা গেছে, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় পাহাড়-ঝরনাঘেরা এই মনোরম স্থানে কবির স্মৃতিকে অম্লান রাখতে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিদিন হাজারো পর্যটক এখানে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্মৃতিস্তম্ভটি শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। ভাস্কর্যের গায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

ইকোপার্কের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, নজরুল স্কয়ার পর্যটকদের কাছে একটি বড় আকর্ষণ। তবে জনবল বা নিয়মিত তদারকির অভাবে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসায় দ্রুত সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তারা আশ্বস্ত করেছেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৬ সাল নজরুল বর্ষ হওয়ায় জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানটিকে নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের জন্য তথ্য প্যানেল স্থাপনসহ ভাস্কর্যটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, কেবল দিবসকেন্দ্রিক নয়, সারা বছরই যেন এই জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্থানের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হয়। কবির স্মৃতি সংরক্ষণে প্রশাসনের ঘোষিত উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি ও সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার

সীতাকুণ্ডে অবহেলিত ‘নজরুল স্কয়ার’: নজরুল বর্ষেও সংস্কারহীন জাতীয় কবির স্মৃতিচিহ্ন

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিরক্ষায় নির্মিত ‘নজরুল স্কয়ার’ বর্তমানে চরম অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে। ২০২৬ সালকে দেশজুড়ে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে পালন করা হলেও কবির ভাস্কর্যে জমেছে শ্যাওলা ও ময়লার আস্তরণ, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

জানা গেছে, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় পাহাড়-ঝরনাঘেরা এই মনোরম স্থানে কবির স্মৃতিকে অম্লান রাখতে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিদিন হাজারো পর্যটক এখানে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্মৃতিস্তম্ভটি শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। ভাস্কর্যের গায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

ইকোপার্কের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, নজরুল স্কয়ার পর্যটকদের কাছে একটি বড় আকর্ষণ। তবে জনবল বা নিয়মিত তদারকির অভাবে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি নজরে আসায় দ্রুত সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তারা আশ্বস্ত করেছেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৬ সাল নজরুল বর্ষ হওয়ায় জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানটিকে নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের জন্য তথ্য প্যানেল স্থাপনসহ ভাস্কর্যটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, কেবল দিবসকেন্দ্রিক নয়, সারা বছরই যেন এই জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্থানের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হয়। কবির স্মৃতি সংরক্ষণে প্রশাসনের ঘোষিত উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।