নাটোরের লালপুর উপজেলায় অ্যাম্বুলেন্স, ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান ও স্যালো ইঞ্জিনচালিত একটি যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মো. ইয়ারুল (৩০) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার ভোর সাড়ে ৪টায় ঈশ্বরদী-বানেশ্বর আঞ্চলিক মহাসড়কের নবীনগর এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইয়ারুল লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের উধনপাড়া গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে ইয়ারুলসহ কয়েকজন শ্রমিক ব্যাটারিচালিত একটি অটোভ্যানে করে পার্শ্ববর্তী ঈশ্বরদী উপজেলার জয়নগর এলাকায় ধান রোপণের কাজে যাচ্ছিলেন। পথে নবীনগর এলাকায় পৌঁছালে ঈশ্বরদীমুখী একটি দ্রুতগামী অ্যাম্বুলেন্স পেছন দিক থেকে অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটি বিপরীত দিক থেকে আসা স্যালো ইঞ্জিনচালিত কুত্তা গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ইয়ারুলের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত বাবু (৪০) ও সাজদারকে (৫০) উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহত ইয়ারুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























