প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং নতুন দেশ গড়তে নতুন যাত্রাপথ রচনা করবে। তিনি রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।
বুধবার (তারিখ উল্লেখ না করে) বেলা ১১টার দিকে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের জনগণ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “আমি প্রায়ই একটি কথা বলি— ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার।” তিনি আরও যোগ করেন, জনগণ যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে যায়নি, একইভাবে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মদানকারী শহীদদেরও কখনো ভুলবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম, অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ হামলা, নিপীড়ন ও মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর ঘরছাড়া ছিলেন। শুধু জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই হাজারো ছাত্র-জনতা, নারী ও শিশু শহীদ হন এবং কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ আহত হন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের মাধ্যমে সেইসব আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
রিপোর্টারের নাম 



















