ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

কাজ শেষ হওয়ার আগেই ধরলা তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে ধস: কুড়িগ্রামে ভাঙন ঝুঁকিতে স্কুল-বসতি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ধরলা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান এই প্রকল্পের ব্লক-পিচিংয়ের প্রায় ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় তীরবর্তী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং স্থানীয় জনপদ ভাঙন হুমকিতে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ধস ঠেকাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছে, তবে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

হলোখানা ইউনিয়নের ছাটকালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করলেও এর নিয়ন্ত্রণ করছেন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিম্নমানের কাজ করাচ্ছেন। এতে তীর সংরক্ষণ কাজটি টেকসই হচ্ছে না এবং সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে তারা মনে করেন। চলমান বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

পাউবো সূত্র মতে, প্রকল্পটি ২০২৭ সালের জুনে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। সম্পন্ন হওয়া একটি অংশে আকস্মিক ধস দেখা দেওয়ায় তারা জানিয়েছে, নদীর তলদেশে আকস্মিক গর্ত তৈরি হওয়ায় ডাম্পিং সামগ্রীসহ ব্লক ধসে গেছে। বর্ষা মৌসুম শেষে ধসে যাওয়া অংশটি মেরামত করে প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে পাউবো। তবে স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর ও আপেলসহ অনেকেই বলছেন, কাজের মান ভালো হলে শেষ হওয়ার আগেই এমন ঘটনা ঘটত না, যা সঠিক তদারকির অভাবকেই নির্দেশ করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লোহিত সাগরের সংকটে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন চাপ: আফ্রিকা ঘুরে আসছে তেলের জাহাজ

কাজ শেষ হওয়ার আগেই ধরলা তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে ধস: কুড়িগ্রামে ভাঙন ঝুঁকিতে স্কুল-বসতি

আপডেট সময় : ১১:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ধরলা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান এই প্রকল্পের ব্লক-পিচিংয়ের প্রায় ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় তীরবর্তী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং স্থানীয় জনপদ ভাঙন হুমকিতে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, ধস ঠেকাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছে, তবে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

হলোখানা ইউনিয়নের ছাটকালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করলেও এর নিয়ন্ত্রণ করছেন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, যারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিম্নমানের কাজ করাচ্ছেন। এতে তীর সংরক্ষণ কাজটি টেকসই হচ্ছে না এবং সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে তারা মনে করেন। চলমান বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

পাউবো সূত্র মতে, প্রকল্পটি ২০২৭ সালের জুনে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। সম্পন্ন হওয়া একটি অংশে আকস্মিক ধস দেখা দেওয়ায় তারা জানিয়েছে, নদীর তলদেশে আকস্মিক গর্ত তৈরি হওয়ায় ডাম্পিং সামগ্রীসহ ব্লক ধসে গেছে। বর্ষা মৌসুম শেষে ধসে যাওয়া অংশটি মেরামত করে প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে পাউবো। তবে স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর ও আপেলসহ অনেকেই বলছেন, কাজের মান ভালো হলে শেষ হওয়ার আগেই এমন ঘটনা ঘটত না, যা সঠিক তদারকির অভাবকেই নির্দেশ করে।