ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

সন্তানকে রেখে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে তরুণী মায়ের মর্মান্তিক আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ৪ বছরের এক শিশুকে প্ল্যাটফর্মে রেখে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক তরুণী মা আত্মহত্যা করেছেন। তবে সৌভাগ্যক্রমে শিশুটি অক্ষত রয়েছে। বর্তমানে তাকে রেলওয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় দর্শনা হল্ট স্টেশনে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, একটি ট্রেন স্টেশনে প্রবেশ করার মুহূর্তে ওই তরুণী হঠাৎ করে রেললাইনে নেমে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তবে শিশুটি প্ল্যাটফর্মে থাকায় কোনো আঘাত পায়নি।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও রেলওয়ে পুলিশ দ্রুত আহত তরুণীকে উদ্ধার করে দর্শনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জিআরপি পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত তরুণীর কাছে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পূর্ণ পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শিশুটি নিরাপদে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জামায়াতের কঠোর হুঁশিয়ারি: দিনাজপুরে বিশাল গণমিছিল

সন্তানকে রেখে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে তরুণী মায়ের মর্মান্তিক আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০১:০১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ৪ বছরের এক শিশুকে প্ল্যাটফর্মে রেখে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক তরুণী মা আত্মহত্যা করেছেন। তবে সৌভাগ্যক্রমে শিশুটি অক্ষত রয়েছে। বর্তমানে তাকে রেলওয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় দর্শনা হল্ট স্টেশনে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, একটি ট্রেন স্টেশনে প্রবেশ করার মুহূর্তে ওই তরুণী হঠাৎ করে রেললাইনে নেমে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তবে শিশুটি প্ল্যাটফর্মে থাকায় কোনো আঘাত পায়নি।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও রেলওয়ে পুলিশ দ্রুত আহত তরুণীকে উদ্ধার করে দর্শনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জিআরপি পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত তরুণীর কাছে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পূর্ণ পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শিশুটি নিরাপদে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।