ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় যৌথ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

গত পাঁচ মাস ধরে ইরানের সামরিক ও প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোতে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পর এবার দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোতে সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য এই যৌথ সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গী হবে ইসরাইল। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে ৩ আগস্ট সোমবারে আর্থিক বাজার খোলার আগেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রথম দফার হামলা শেষ করতে চায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগনের সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, ইসরাইলকে ইতোপূর্বে এই ব্যাপারে জানানো হয়েছে। তেল আবিব হামলার সময়সীমা নির্ধারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় করতে আগ্রহী। তবে সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই সামরিক হামলায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হয়। তবে দুই দিন পর, অর্থাৎ ২ মার্চ ইসরাইল এই যুদ্ধ থেকে সাময়িকভাবে সরে গিয়ে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। আর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী এককভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে। ইরানের জ্বালানি খাতে নতুন করে যৌথ হামলার উদ্যোগ ও সম্ভাব্য জোট গঠন নিয়ে বিস্তারিত জানতে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সিবিএস নিউজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে যৌথ হামলা শুরুর বিষয়ে তারা এখনো কিছু জানেন না এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখনো কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশযাপন কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই বৈঠকে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত করব। সেই আঘাত এতটাই মারাত্মক হবে যে তারা একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে বলবে—‘থামুন, আমরা আর সহ্য করতে পারছি না।’ শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ‘এই যুদ্ধে য

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জামায়াতের কঠোর হুঁশিয়ারি: দিনাজপুরে বিশাল গণমিছিল

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় যৌথ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

আপডেট সময় : ০১:০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

গত পাঁচ মাস ধরে ইরানের সামরিক ও প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোতে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পর এবার দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোতে সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য এই যৌথ সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গী হবে ইসরাইল। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে ৩ আগস্ট সোমবারে আর্থিক বাজার খোলার আগেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রথম দফার হামলা শেষ করতে চায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগনের সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, ইসরাইলকে ইতোপূর্বে এই ব্যাপারে জানানো হয়েছে। তেল আবিব হামলার সময়সীমা নির্ধারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় করতে আগ্রহী। তবে সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই সামরিক হামলায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হয়। তবে দুই দিন পর, অর্থাৎ ২ মার্চ ইসরাইল এই যুদ্ধ থেকে সাময়িকভাবে সরে গিয়ে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। আর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী এককভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে। ইরানের জ্বালানি খাতে নতুন করে যৌথ হামলার উদ্যোগ ও সম্ভাব্য জোট গঠন নিয়ে বিস্তারিত জানতে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সিবিএস নিউজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে যৌথ হামলা শুরুর বিষয়ে তারা এখনো কিছু জানেন না এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখনো কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশযাপন কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই বৈঠকে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত করব। সেই আঘাত এতটাই মারাত্মক হবে যে তারা একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে বলবে—‘থামুন, আমরা আর সহ্য করতে পারছি না।’ শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ‘এই যুদ্ধে য