ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

নকল দুধ তৈরির কারিগরকে এক বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত নকল দুধ তৈরির কারিগর আশরাফুল আলীকে (৪২) এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার সিংগাড়ি গ্রামে অভিযান চালিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল ওই গ্রামের নুর ইসলামের পুত্র। অভিয र ানকালে নকল দুধ তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত তিন ড্রাম জেলি ও বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালসহ বিপুল পরিমাণ নকল দুধ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আশরাফুল নিজ বাড়িতে একটি সিলিং সেন্টার স্থাপন করে দীর্ঘদিন ধরে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব দুধ তিনি বিভিন্ন কোম্পানির সিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন। এভাবেই তিনি অল্প সময়ে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে যান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। রাতেই তাকে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলি হামলায় কেঁপে উঠলো দক্ষিণ লেবানন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

নকল দুধ তৈরির কারিগরকে এক বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা

আপডেট সময় : ১১:০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত নকল দুধ তৈরির কারিগর আশরাফুল আলীকে (৪২) এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার সিংগাড়ি গ্রামে অভিযান চালিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল ওই গ্রামের নুর ইসলামের পুত্র। অভিয र ানকালে নকল দুধ তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত তিন ড্রাম জেলি ও বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালসহ বিপুল পরিমাণ নকল দুধ জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আশরাফুল নিজ বাড়িতে একটি সিলিং সেন্টার স্থাপন করে দীর্ঘদিন ধরে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব দুধ তিনি বিভিন্ন কোম্পানির সিলিং সেন্টারে সরবরাহ করতেন। এভাবেই তিনি অল্প সময়ে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে যান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। রাতেই তাকে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়।