ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

প্রতিমন্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে তোলপাড়: এআই প্রযুক্তির দাবি নাকচ করল ফ্যাক্টচেক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের একটি অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নেটিজেনদের মধ্যে তুমুল বিতর্ক চলছে। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর একজন সাবেক সংসদ সদস্যের নৈতিক স্খলনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বর্তমান সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশ্যে এলো।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই প্রতিমন্ত্রী এটিকে ‘ফেক’ বা ভুয়া এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে জানান, ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। ইতোমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন। কিছু সংবাদমাধ্যমেও এই ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে প্রতিমন্ত্রীর এই দাবি নিয়ে অনুসন্ধান চালায় ফ্যাক্টচেক ভিত্তিক পোর্টাল ‘দ্য ডিসেন্ট’। ২৯ জুলাই প্রকাশিত তাদের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংগৃহীত ২০ সেকেন্ডের শব্দহীন ভিডিও, ৫টি ছবি এবং হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশটগুলো এআই কন্টেন্ট চিহ্নিতকরণ টুলের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। পরীক্ষায় এই কন্টেন্টগুলো এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অধিকতর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশটের একটি মোবাইল নম্বর অমুসলিম এক নারীর নামে নিবন্ধিত। পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে ‘বন্দে মাতরম’-কে জাতীয় সংগীতের সমমর্যাদা: বিতর্কিত বিল লোকসভায় পাস

প্রতিমন্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে তোলপাড়: এআই প্রযুক্তির দাবি নাকচ করল ফ্যাক্টচেক

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের একটি অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নেটিজেনদের মধ্যে তুমুল বিতর্ক চলছে। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর একজন সাবেক সংসদ সদস্যের নৈতিক স্খলনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বর্তমান সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশ্যে এলো।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই প্রতিমন্ত্রী এটিকে ‘ফেক’ বা ভুয়া এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে জানান, ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। ইতোমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন। কিছু সংবাদমাধ্যমেও এই ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হয়েছিল।

তবে প্রতিমন্ত্রীর এই দাবি নিয়ে অনুসন্ধান চালায় ফ্যাক্টচেক ভিত্তিক পোর্টাল ‘দ্য ডিসেন্ট’। ২৯ জুলাই প্রকাশিত তাদের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংগৃহীত ২০ সেকেন্ডের শব্দহীন ভিডিও, ৫টি ছবি এবং হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশটগুলো এআই কন্টেন্ট চিহ্নিতকরণ টুলের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। পরীক্ষায় এই কন্টেন্টগুলো এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অধিকতর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশটের একটি মোবাইল নম্বর অমুসলিম এক নারীর নামে নিবন্ধিত। পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।