ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা: সদর দপ্তর নির্ধারণে নথিপত্রে অসংগতি ও গণশুনানির সুপারিশ উপেক্ষার অভিযোগ

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সরকারি নথি, গণশুনানির সুপারিশ এবং প্রশাসনিক মানচিত্র পর্যালোচনায় একাধিক অসংগতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, গণশুনানির সুপারিশ উপেক্ষা করে সদর দপ্তরের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কোনো প্রকার শুনানি ছাড়াই দুটি ইউনিয়ন নতুন উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনার কথা জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

চলতি বছরের ১ জুলাই নতুন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা ঘোষণার পর থেকেই এলাকাজুড়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। উত্তরাঞ্চলের তিন ইউনিয়ন এবং দক্ষিণের সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দারা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করছেন। সড়ক অবরোধ, হরতাল, কালো পতাকা প্রদর্শন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ভোগান্তি কমাতে বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও ভুজপুর ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের দাবি দীর্ঘদিনের। কারণ, স্বাধীনতার পর থেকেই বেশিরভাগ সরকারি স্থাপনা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলে, ফলে উত্তরাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। আবার ফটিকছড়ি উপজেলা সদর থেকে এসব এলাকার দূরত্ব অনেক বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষকে প্রশাসনিক সেবা পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এই দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন উক্ত চারটি ইউনিয়নে গণশুনানির আয়োজন করে, যা শেষ হয় ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর। ওই শুনানিতে সংশ্লিষ্ট চার ইউনিয়নের মতামত নেওয়া হলেও হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়নে কোনো গণশুনানিই অনুষ্ঠিত হয়নি।

সদর দপ্তর নিয়ে বিতর্কThe issue of the headquarters has been controversial. ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের এক চিঠিতে জুজখোলা মৌজায় নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়। তবে প্রস্তাবটি সচিবালয়ে পাঠানোর আগেই গণশুনানির সুপারিশ ও আগের প্রশাসনিক নথির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিবর্তন আনা হয়। গণশুনানিতে অন্তর্ভুক্ত না থাকা সত্ত্বেও হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়নকে নতুন উপজেলায় যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) নথিতে উল্লেখিত সদর দপ্তর উত্তরাঞ্চলের জুজখোলা মৌজা থেকে সরিয়ে দক্ষিণের পশ্চিম ভুজপুর এলাকায় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উপজেল

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৪ সালের জুলাই গণ _হত্যার বিচার ও সনদ বাস্তবায়নের দাবি শহীদ ফাইয়াজের বাবার

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা: সদর দপ্তর নির্ধারণে নথিপত্রে অসংগতি ও গণশুনানির সুপারিশ উপেক্ষার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সরকারি নথি, গণশুনানির সুপারিশ এবং প্রশাসনিক মানচিত্র পর্যালোচনায় একাধিক অসংগতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, গণশুনানির সুপারিশ উপেক্ষা করে সদর দপ্তরের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কোনো প্রকার শুনানি ছাড়াই দুটি ইউনিয়ন নতুন উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনার কথা জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

চলতি বছরের ১ জুলাই নতুন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা ঘোষণার পর থেকেই এলাকাজুড়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। উত্তরাঞ্চলের তিন ইউনিয়ন এবং দক্ষিণের সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দারা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করছেন। সড়ক অবরোধ, হরতাল, কালো পতাকা প্রদর্শন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ভোগান্তি কমাতে বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও ভুজপুর ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের দাবি দীর্ঘদিনের। কারণ, স্বাধীনতার পর থেকেই বেশিরভাগ সরকারি স্থাপনা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলে, ফলে উত্তরাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। আবার ফটিকছড়ি উপজেলা সদর থেকে এসব এলাকার দূরত্ব অনেক বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষকে প্রশাসনিক সেবা পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এই দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন উক্ত চারটি ইউনিয়নে গণশুনানির আয়োজন করে, যা শেষ হয় ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর। ওই শুনানিতে সংশ্লিষ্ট চার ইউনিয়নের মতামত নেওয়া হলেও হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়নে কোনো গণশুনানিই অনুষ্ঠিত হয়নি।

সদর দপ্তর নিয়ে বিতর্কThe issue of the headquarters has been controversial. ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের এক চিঠিতে জুজখোলা মৌজায় নতুন উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়। তবে প্রস্তাবটি সচিবালয়ে পাঠানোর আগেই গণশুনানির সুপারিশ ও আগের প্রশাসনিক নথির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিবর্তন আনা হয়। গণশুনানিতে অন্তর্ভুক্ত না থাকা সত্ত্বেও হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়নকে নতুন উপজেলায় যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) নথিতে উল্লেখিত সদর দপ্তর উত্তরাঞ্চলের জুজখোলা মৌজা থেকে সরিয়ে দক্ষিণের পশ্চিম ভুজপুর এলাকায় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উপজেল