ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

আইয়ামে বিজের রোজা: আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের বিশেষ মাধ্যম

ইসলামি শরিয়তে ইবাদত হলো মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রধান সোপান। ফরজ ইবাদতগুলোর পাশাপাশি নফল ও সুন্নাহ ইবাদত মুমিনের আত্মিক উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমনই একটি বরকতময় সুন্নাহ ইবাদত হলো ‘আইয়ামে বিজের’ রোজা। আরবি শব্দ ‘আইয়ামে বিজ’ এর অর্থ হলো উজ্জ্বল দিনসমূহ। প্রতি হিজরি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে যখন চাঁদ পূর্ণতা পায় এবং চারপাশ শুভ্র আলোয় উদ্ভাসিত থাকে, তখন এই রোজা রাখতে হয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এই তিনটি রোজার ব্যাপারে সাহাবিদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছেন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতি মাসে এই তিন দিন রোজা রাখা সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য সওয়াব বয়ে আনে। আবু জর গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যদি কেউ মাসে তিনটি রোজা রাখতে চায়, তবে সে যেন ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে তা পালন করে।

এই রোজার নিয়ম অন্য সাধারণ নফল রোজার মতোই। সুবহে সাদিকের আগে মনে মনে নিয়ত করে সারা দিন পানাহার ও পাপাচার থেকে বিরত থাকতে হয়। রোজা কেবল ক্ষুধার যন্ত্রণাই নয়, বরং মানুষের কুপ্রবৃত্তি দমন করে তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জনে সাহায্য করে। বিশেষ করে তরুণদের জন্য রোজা চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষার ঢাল হিসেবে কাজ করে। আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির এই চর্চা মুমিনের জীবনকে সুন্দর ও মার্জিত করে তোলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটক টানতে দুবাই সরকারের বড় ঘোষণা, বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানালেই মিলবে মোটা অঙ্কের পুরস্কার

আইয়ামে বিজের রোজা: আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের বিশেষ মাধ্যম

আপডেট সময় : ০১:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ইসলামি শরিয়তে ইবাদত হলো মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রধান সোপান। ফরজ ইবাদতগুলোর পাশাপাশি নফল ও সুন্নাহ ইবাদত মুমিনের আত্মিক উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমনই একটি বরকতময় সুন্নাহ ইবাদত হলো ‘আইয়ামে বিজের’ রোজা। আরবি শব্দ ‘আইয়ামে বিজ’ এর অর্থ হলো উজ্জ্বল দিনসমূহ। প্রতি হিজরি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে যখন চাঁদ পূর্ণতা পায় এবং চারপাশ শুভ্র আলোয় উদ্ভাসিত থাকে, তখন এই রোজা রাখতে হয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এই তিনটি রোজার ব্যাপারে সাহাবিদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছেন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতি মাসে এই তিন দিন রোজা রাখা সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য সওয়াব বয়ে আনে। আবু জর গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যদি কেউ মাসে তিনটি রোজা রাখতে চায়, তবে সে যেন ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে তা পালন করে।

এই রোজার নিয়ম অন্য সাধারণ নফল রোজার মতোই। সুবহে সাদিকের আগে মনে মনে নিয়ত করে সারা দিন পানাহার ও পাপাচার থেকে বিরত থাকতে হয়। রোজা কেবল ক্ষুধার যন্ত্রণাই নয়, বরং মানুষের কুপ্রবৃত্তি দমন করে তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জনে সাহায্য করে। বিশেষ করে তরুণদের জন্য রোজা চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষার ঢাল হিসেবে কাজ করে। আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির এই চর্চা মুমিনের জীবনকে সুন্দর ও মার্জিত করে তোলে।