ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

নামের ভুলে চার মাস কারাবাস: ভুক্তভোগীকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিল বাদীপক্ষ

চেক জালিয়াতির মামলায় নামের মিল থাকায় ভুল ব্যক্তিকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার ও সাজা দেওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী মামুন মিয়াকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে মামলার বাদীপক্ষ। ভুলক্রমে চার মাস কারাভোগের পর আদালতের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্বাস পোল্ট্রি অ্যান্ড ফিস ফিডস লিমিটেড’।

ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে উভয় পক্ষের মধ্যে এই আপস-মীমাংসার আবেদন জমা দেওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ভুক্তভোগীর আইনজীবী জানান, ভুল ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর বাদীপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। ক্ষতিপূরণ ও ক্ষমা পাওয়ার পর মামুন মিয়া তার করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

বাদীপক্ষের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর দায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে দায়ের করা একটি চেক ডিজঅনার মামলায় প্রকৃত আসামির পরিবর্তে মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যার ফলে তাকে বিনা অপরাধে জেল খাটতে হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটক টানতে দুবাই সরকারের বড় ঘোষণা, বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানালেই মিলবে মোটা অঙ্কের পুরস্কার

নামের ভুলে চার মাস কারাবাস: ভুক্তভোগীকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিল বাদীপক্ষ

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

চেক জালিয়াতির মামলায় নামের মিল থাকায় ভুল ব্যক্তিকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার ও সাজা দেওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী মামুন মিয়াকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে মামলার বাদীপক্ষ। ভুলক্রমে চার মাস কারাভোগের পর আদালতের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্বাস পোল্ট্রি অ্যান্ড ফিস ফিডস লিমিটেড’।

ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে উভয় পক্ষের মধ্যে এই আপস-মীমাংসার আবেদন জমা দেওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ভুক্তভোগীর আইনজীবী জানান, ভুল ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর বাদীপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। ক্ষতিপূরণ ও ক্ষমা পাওয়ার পর মামুন মিয়া তার করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

বাদীপক্ষের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর দায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে দায়ের করা একটি চেক ডিজঅনার মামলায় প্রকৃত আসামির পরিবর্তে মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যার ফলে তাকে বিনা অপরাধে জেল খাটতে হয়।