ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

‘প্রতারণা নয়, পরিশ্রমই হোক সাফল্যের মাপকাঠি’: ভারতে ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে শচীনের বার্তা

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা খাতে চলমান অস্থিরতা নিয়ে মুখ খুলেছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি একটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। শচীন মনে করেন, কঠোর পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন না হলে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

সরাসরি রাজনৈতিক মন্তব্য না করলেও শচীন তার বাবার দেওয়া নৈতিক শিক্ষার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমার বাবা একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি সবসময় বলতেন, ব্যর্থ হওয়া মেনে নেওয়া যায় কিন্তু প্রতারণা নয়। জীবনে কোনো শর্টকাট রাস্তা বেছে নেওয়া উচিত নয়।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, সমাজের বড়দের দায়িত্ব হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে ফলের চেয়ে পরিশ্রমকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শচীন টেন্ডুলকার তার বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, যদি মেধাবীরা মনে করে যে তাদের পরিশ্রমের কোনো দাম নেই, তবে তারা শর্টকাট খুঁজবে—যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়, তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। তার এই ইতিবাচক বার্তাটি ইতিমধ্যে ভারতের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে কয়েলের আগুনে দগ্ধ দম্পতি, জীবন রক্ষায় লড়ছেন বার্ন ইউনিটে

‘প্রতারণা নয়, পরিশ্রমই হোক সাফল্যের মাপকাঠি’: ভারতে ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে শচীনের বার্তা

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা খাতে চলমান অস্থিরতা নিয়ে মুখ খুলেছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি একটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। শচীন মনে করেন, কঠোর পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন না হলে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

সরাসরি রাজনৈতিক মন্তব্য না করলেও শচীন তার বাবার দেওয়া নৈতিক শিক্ষার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমার বাবা একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি সবসময় বলতেন, ব্যর্থ হওয়া মেনে নেওয়া যায় কিন্তু প্রতারণা নয়। জীবনে কোনো শর্টকাট রাস্তা বেছে নেওয়া উচিত নয়।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, সমাজের বড়দের দায়িত্ব হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে ফলের চেয়ে পরিশ্রমকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শচীন টেন্ডুলকার তার বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, যদি মেধাবীরা মনে করে যে তাদের পরিশ্রমের কোনো দাম নেই, তবে তারা শর্টকাট খুঁজবে—যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়, তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। তার এই ইতিবাচক বার্তাটি ইতিমধ্যে ভারতের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।