ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া ৯ ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি ঋণই এখন খেলাপি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া চতুর্থ প্রজন্মের ৯টি ব্যাংক এখন চরম আর্থিক সংকটে নিমজ্জিত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাস শেষে এই ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২০ শতাংশই খেলাপি হয়ে পড়েছে। সহজভাবে বললে, এই ব্যাংকগুলো থেকে বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৫২ টাকারও বেশি এখন আদায় অযোগ্য।

অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্বল করপোরেট সুশাসন, পর্ষদ সদস্যদের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত ঋণ বিতরণের কারণেই এই ব্যাংকগুলো আজ খাদের কিনারায়। তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলো হলো— পদ্মা, ইউনিয়ন, মধুমতি, মিডল্যান্ড, মেঘনা, এনআরবি, এনআরবিসি, গ্লোবাল ইসলামী এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক।

বিশেষ করে পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালে পরিস্থিতির চরম অবনতি হলে তৎকালীন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরবর্তী সময়ে সরকারের সহায়তায় ব্যাংকটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও আশানুরূপ ফল মেলেনি। সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর পর্ষদ পুনর্গঠন করার পর খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র জনসমক্ষে আসতে শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী’: রাশেদা বেগম হিরা

রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া ৯ ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি ঋণই এখন খেলাপি

আপডেট সময় : ১২:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া চতুর্থ প্রজন্মের ৯টি ব্যাংক এখন চরম আর্থিক সংকটে নিমজ্জিত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাস শেষে এই ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২০ শতাংশই খেলাপি হয়ে পড়েছে। সহজভাবে বললে, এই ব্যাংকগুলো থেকে বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৫২ টাকারও বেশি এখন আদায় অযোগ্য।

অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্বল করপোরেট সুশাসন, পর্ষদ সদস্যদের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মবহির্ভূত ঋণ বিতরণের কারণেই এই ব্যাংকগুলো আজ খাদের কিনারায়। তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলো হলো— পদ্মা, ইউনিয়ন, মধুমতি, মিডল্যান্ড, মেঘনা, এনআরবি, এনআরবিসি, গ্লোবাল ইসলামী এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক।

বিশেষ করে পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালে পরিস্থিতির চরম অবনতি হলে তৎকালীন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরবর্তী সময়ে সরকারের সহায়তায় ব্যাংকটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও আশানুরূপ ফল মেলেনি। সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর পর্ষদ পুনর্গঠন করার পর খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র জনসমক্ষে আসতে শুরু করেছে।