ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

গুলিতে পা হারিয়েও মামলার ভারে পিষ্ট আট ভাগ্যহত: এক যুগেও মেলেনি বিচার

চট্টগ্রামে বিগত সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করা আট ব্যক্তির জীবন এক যুগ ধরে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গুলিতে পা হারানোর অসহ্য যন্ত্রণার পাশাপাশি তাদের ঘাড়ে চেপেছে অসংখ্য মামলার বোঝা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে তাদের পায়ে গুলি করা হয় এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাদের নামেই একাধিক মামলা ঠুকে দেওয়া হয়।

২০১৩ সালে ‘নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন’ পাস হলেও এর সুফল পাননি তারা। উল্টো পুলিশের পাল্টা মামলার ভয়ে এবং নিরাপত্তার অভাবে আইনি লড়াইয়ে নামার সাহস পাননি অনেকেই। কারো বিরুদ্ধে ৫টি, আবার কারো বিরুদ্ধে ৬৫টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে, যা এখনো আদালতে বিচারাধীন। নিয়মিত হাজিরা দিতে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন এই পঙ্গু মানুষগুলো।

সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের একই গ্রামের পাঁচজনসহ মোট আটজনের এই করুণ কাহিনী এখন জনসমক্ষে। ভুক্তভোগী আবু তাহের জানান, ২০১৩ সালে তাকে খামারবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তিনদিন থানায় আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরিবারের কাছ থেকে চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে তার পায়ে গুলি করা হয়। পরে অস্ত্র মামলাসহ আটটি মামলায় তাকে আসামি করে কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটক টানতে দুবাই সরকারের বড় ঘোষণা, বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানালেই মিলবে মোটা অঙ্কের পুরস্কার

গুলিতে পা হারিয়েও মামলার ভারে পিষ্ট আট ভাগ্যহত: এক যুগেও মেলেনি বিচার

আপডেট সময় : ০১:২৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে বিগত সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করা আট ব্যক্তির জীবন এক যুগ ধরে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গুলিতে পা হারানোর অসহ্য যন্ত্রণার পাশাপাশি তাদের ঘাড়ে চেপেছে অসংখ্য মামলার বোঝা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে তাদের পায়ে গুলি করা হয় এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাদের নামেই একাধিক মামলা ঠুকে দেওয়া হয়।

২০১৩ সালে ‘নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন’ পাস হলেও এর সুফল পাননি তারা। উল্টো পুলিশের পাল্টা মামলার ভয়ে এবং নিরাপত্তার অভাবে আইনি লড়াইয়ে নামার সাহস পাননি অনেকেই। কারো বিরুদ্ধে ৫টি, আবার কারো বিরুদ্ধে ৬৫টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে, যা এখনো আদালতে বিচারাধীন। নিয়মিত হাজিরা দিতে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন এই পঙ্গু মানুষগুলো।

সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের একই গ্রামের পাঁচজনসহ মোট আটজনের এই করুণ কাহিনী এখন জনসমক্ষে। ভুক্তভোগী আবু তাহের জানান, ২০১৩ সালে তাকে খামারবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তিনদিন থানায় আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরিবারের কাছ থেকে চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে তার পায়ে গুলি করা হয়। পরে অস্ত্র মামলাসহ আটটি মামলায় তাকে আসামি করে কারাগারে পাঠানো হয়।