বর্তমান বিশ্বে একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তার প্রাকৃতিক সম্পদের চেয়ে দক্ষ ও সৃজনশীল জনশক্তির ওপর বেশি নির্ভরশীল। প্রতি বছর ১৫ জুলাই বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনী কাজে দক্ষ করে তোলা। তবে শুধু যান্ত্রিক দক্ষতা অর্জনই যথেষ্ট নয়, এর সঙ্গে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয় অপরিহার্য।
বাস্তবতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নৈতিকতাহীন দক্ষতা সমাজের জন্য আশীর্বাদের চেয়ে অভিশাপই বেশি বয়ে আনে। একজন দক্ষ প্রকৌশলী যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন কিংবা একজন প্রযুক্তিবিদ যদি তার জ্ঞানকে অপরাধের কাজে ব্যবহার করেন, তবে সমাজ ও রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইসলাম ধর্মও জ্ঞান ও কর্মদক্ষতার পাশাপাশি উন্নত চরিত্র গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।
পবিত্র কোরআনের শিক্ষা অনুযায়ী, মানুষের প্রাপ্তি তার কর্ম প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল। রাসুলুল্লাহ (সা.) শক্তিশালী মুমিনকে দুর্বল মুমিনের চেয়ে উত্তম বলেছেন, যেখানে শক্তির অর্থ হলো জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা। বাংলাদেশের বিশাল যুবসমাজকে যদি সঠিক দিকনির্দেশনা ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে তোলা যায়, তবেই তারা দেশের প্রকৃত সম্পদে পরিণত হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























