ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

মির্জাপুরে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সরকারি গজারি গাছ জব্দ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি বন বিভাগের জমি থেকে অবৈধভাবে কেটে নেওয়া অর্ধশতাধিক শাল ও গজারি গাছ জব্দ করেছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার দেওহাটা কাঠের হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাছ উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ট্রাক থেকে তড়িঘড়ি করে গজারি গাছগুলো নামানো হচ্ছিল। খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা সেখানে পৌঁছালে শ্রমিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে গাছগুলো জব্দ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চলের মূল্যবান গাছ কেটে অবৈধভাবে কেনাবেচা করে আসছে।

মির্জাপুরের বাঁশতৈল রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক অমি আক্তার জানান, বর্তমানে বন বিভাগের কোনো গাছ নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া নেই। জব্দকৃত গাছগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বন আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে কয়েলের আগুনে দগ্ধ দম্পতি, জীবন রক্ষায় লড়ছেন বার্ন ইউনিটে

মির্জাপুরে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সরকারি গজারি গাছ জব্দ

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি বন বিভাগের জমি থেকে অবৈধভাবে কেটে নেওয়া অর্ধশতাধিক শাল ও গজারি গাছ জব্দ করেছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার দেওহাটা কাঠের হাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাছ উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ট্রাক থেকে তড়িঘড়ি করে গজারি গাছগুলো নামানো হচ্ছিল। খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা সেখানে পৌঁছালে শ্রমিক পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে গাছগুলো জব্দ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চলের মূল্যবান গাছ কেটে অবৈধভাবে কেনাবেচা করে আসছে।

মির্জাপুরের বাঁশতৈল রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক অমি আক্তার জানান, বর্তমানে বন বিভাগের কোনো গাছ নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া নেই। জব্দকৃত গাছগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বন আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।