ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ঝালকাঠিতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি: প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, যোগাযোগ ব্যাহত

ঝালকাঠিতে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত কয়েক দিন ধরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সঙ্গে সুগন্ধা, বিষখালীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছে। এতে জেলার নলছিটি, কাঁঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার নদীতীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চলের ২০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

প্লাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে শৌলজালিয়া, আমুয়া, পাটিখালঘাটা, হেতাল বুনিয়া ও প্রেমহার উল্লেখযোগ্য। টানা বৃষ্টি ও অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে এসব এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে অসংখ্য মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

এদিকে, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে রোপা আমন ও আমনের বীজতলা। পেঁপে, লাউ, করলা, চিচিঙ্গা, চালকুমড়াসহ বিভিন্ন ধরনের তলাকৃষি পানিতে ডুবে থাকায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহমেদ জানান, পানি যদি দুই-তিন দিন স্থায়ী হয়, তাহলে আমন, পানের বরজসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, জোয়ার ও বৃষ্টিতে ঝালকাঠির নদ-নদীর পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, গুচ্ছগ্রামে শোকের মাতম

ঝালকাঠিতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি: প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, যোগাযোগ ব্যাহত

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ঝালকাঠিতে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত কয়েক দিন ধরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সঙ্গে সুগন্ধা, বিষখালীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছে। এতে জেলার নলছিটি, কাঁঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার নদীতীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চলের ২০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

প্লাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে শৌলজালিয়া, আমুয়া, পাটিখালঘাটা, হেতাল বুনিয়া ও প্রেমহার উল্লেখযোগ্য। টানা বৃষ্টি ও অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে এসব এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে অসংখ্য মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

এদিকে, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে রোপা আমন ও আমনের বীজতলা। পেঁপে, লাউ, করলা, চিচিঙ্গা, চালকুমড়াসহ বিভিন্ন ধরনের তলাকৃষি পানিতে ডুবে থাকায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহমেদ জানান, পানি যদি দুই-তিন দিন স্থায়ী হয়, তাহলে আমন, পানের বরজসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, জোয়ার ও বৃষ্টিতে ঝালকাঠির নদ-নদীর পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।